ডেল কার্নেগি: সস্তা অনুপ্রেরণা নাকি জীবন বদলানোর জাদুকর?
ডেল কার্নেগি কি শুধুই সস্তা মোটিভেশনাল স্পিকার? নাকি জীবনযুদ্ধের সত্যিকারের পথপ্রদর্শক? জানুন কেন তিনি সিগমুন্ড ফ্রয়েড বা কার্ল ইয়াং নন, কিন্তু তবুও হাজারো মানুষের জীবনে আলো জ্বেলেছেন।
যারা বই পড়ুয়া তারা ‘ডেল কার্নেগি'র নাম শোনেননি এমন হতেই পারে না। ডেল কার্নেগি আমার জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক। যতদূর মনে পড়ে, আমি তার লেখা সমস্ত বই পড়েছি। বিশেষ করে তার বইয়ের শিরোনাম! ‘খুবই আকর্ষণীয়’। সবাইকে টানতো।
একটা সময় ছিলো যখন শহরের অলিগলিতেও ‘ডেল কার্নেগি’র বই পাওয়া যেত। সে-সময় মানে প্রায় একযুগ আগে থেকে আজ পর্যন্ত তার বইয়ের বাজার চাহিদা কমেছে বলে মনে হয় না। কিন্তু আস্তে-ধীরে ‘ডেল কার্নেগি’র লেখা আমার কাছে ‘সস্তা’ বলে মনে হতে শুরু হয়। যত বেশি জীবন সম্পর্কে জানতে শুরু করি ঠিক তত বেশি ডেল কার্নেগির লেখা থেকে দূরে যেতে থাকি। মনে হতে থাকে ডেল কার্নেগি হয়তো সস্তা অনুপ্রেরণা জাগাতেন; যা বেশি সময় ধরে কাজ করে না।
কিন্তু এই ডেল কার্নেগি হাজারো মানুষের জীবনে আলো এনেছেন, বেঁচে থাকার একটা অর্থ দিয়েছেন। এমন ঘটনাও শোনা যায় যে, কেউ কেউ তার বই পড়ার পর আত্মহত্যা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। আবার একসময় এই জনপ্রিয় লেখক আমাদের থেকে হয়তো হারিয়ে গেছেন। আজ আমি তাকে ঘিরেই লেখার চেষ্টা করছি।
প্রথমেই তার ৫টি জনপ্রিয় বইয়ের অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় শিরোনাম এক নজরে ইংরেজি ও বাংলায় দেখা নেওয়া যাক:
১. How to Win Friends and Influence People (প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ)
২. How to Stop Worrying and Start Living (দুশ্চিন্তাহীন নতুন জীবন)
৩. How to Develop Self-Confidence & Influence People by Public Speaking (বক্তৃতা দেওয়া শিখবেন কীভাবে)
৪. The Quick and Easy Way to Effective Speaking (সহজ ও কার্যকর বক্তৃতা)
৫. The Leader in You (দ্য লিডার ইন ইউ/নেতৃত্বের গুণাবলী)
এই বইগুলোর শিরোনাম আমার কাছে অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়েছিলো। মানে মানুষের মন জয় করা, টাকা-পয়সা উপার্জন করা, নিজের জীবনের দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকা, পাবলিক স্পিকিং -এ সবাইকে মুগ্ধ করা অথবা, নেতা হওয়া/নেতৃত্ব দেওয়া… এসব করতে বা হতে চায় না কে? আমাদের মধ্যে সবাই এসব কমবেশি কামনা করেন।
এসব বইয়ের শিরোনাম চোখে পড়ার মত। এরপর যখন বই খুলবেন তখন অজস্র বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি খুঁজে পাবেন। প্রথমে তিনি একটা সাধারণ গল্প আমাদের উপহার দেন। মানে খুবই সাধারণ। তারপর ঐ গল্প বা থিসিস কে পাকাপোক্ত করতে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি টেনে আনেন।
তাঁদের তালিকা এক নজরে:
১. আব্রাহাম লিংকন
২. থিওডোর রুজভেল্ট
৩. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
৪. চার্লস স্কোয়াব
৫. থমাস এডিসন
৬. মেরি কিউরি
৭. উইলিয়াম অসলার
৮. উইনস্টন চার্চিল
৯. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
১০. হেনরি ফোর্ড
১১. মার্ক টোয়েন
১২. ডেমোস্থেনিস
১৩. এলবার্ট হাববার্ড
১৪. লি আইয়াকোকা
১৫. স্যাম ওয়ালটন
১৬. মেরি কে অ্যাশ
১৭. হার্ব কেলেহার
১৮. নরম্যান ভিনসেন্ট পিল
আকর্ষণীয় শিরোনামের পর এইসব বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি তার বইয়ের মান বাড়িয়ে তুলতো। আর এই দুই শক্তির বাইরেও তার ছিলো সুচারু কিন্তু সাধারণ গল্পকে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার বিশেষ প্রতিভা। যে গল্পগুলো এখনো আমাদের জীবনের সাথে কোথাও না কোথাও মিলে যায়। মানে এই ২০২৫ সালে, যখন ডেল কার্নেগি আর আমাদের মাঝে নেই।
ডেল কার্নেগির তৃতীয় শক্তি ছিলো সাধারণ গল্প কে অসাধারণ ও প্রাসঙ্গিক করে গড়ে তোলা। এরকম ৩টি গল্প আমি বাংলায় তুলে ধরছি:
১. দুটো চিঠি
উৎস: How to Win Friends and Influence People
অধ্যায়-১: Don’t criticize, condemn or complain
ঘটনা: ১৮৬৩-র গেটিসবার্গের যুদ্ধের পর লিংকন যখন জেনারেল মিড-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিলেন (অপর্যাপ্ত আক্রমণের জন্য), তিনি একটা তীব্র চিঠি লিখলেন ধমক দেওয়ার জন্য। চিঠি লেখা হলেও তিনি কখনও পাঠালেন না; খামে ভরে ড্রয়ারে রেখে দিলেন। এই গল্পের শিক্ষা হলো, আবেগে লেখা চিঠি ড্রয়ারে রাখলে সময় বাঁচে, সম্পর্কও বাঁচে। সমালোচনা নয়, সংযমই জিতে। এই গল্পটি কার্নেগি বারবার উদ্ধৃত করেছেন সমালোচনা না করার সবচেয়ে জোরালা প্রমাণ হিসেবে।
২. নাম-মন্ত্রের গল্প
উৎস: How to Win Friends…, (অধ্যায় ৩)
ঘটনা: পেনসিলভানিয়ার ছোট রেলস্টেশনের সুপারিন্টেনডেন্ট নরম্যান বার্থোলোমিউ; কার্নেগি তাঁর পুরো নাম মনে রেখে ডাকলেন। লোকটি অবাক, পরে তিনি কার্নেগিকে জমি কিনে দিলেন। এই গল্পের শিক্ষা হলো, নাম মনে রাখলে হৃদয়ের দরজা খুলে যায়। ডেল কার্নেগির এই নাম মনে রাখার মন্ত্র আমার ব্যক্তি জীবনেও কাজে লেগেছে।
৩. হাসির মূল্য
উৎস: How to Stop Worrying…,
অধ্যায়: Magic Formula
ঘটনা: ১৯৩০-এর মন্দায় ফার্নিচার বিক্রেতা উইলিয়াম বেঙ্কার দোকানে ক্রেতা নেই; প্রতিদিন পথচারীকে হাসি দিয়ে ‘গুড মর্নিং’ বলতেন। এরপর তিনি দেখলেন এক মাসে বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ। আর এই গল্পের শিক্ষা হলো, হাসি হলো উদ্বেগের অ্যান্টিডোট। আগে দাও, পরে পাও। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক ভাবেও প্রমাণিত যে, যে মানুষ বেশি হাসেন তার শরীর তূলনামূলক ভালো থাকে। সাধারণত তিনি কাজে অন্যদের চেয়ে একটু বেশি প্রাণ পান। মানসিকভাবেও তিনি থাকেন সতেজ ও সক্রিয়। তাছাড়া হাসির মাধ্যমে মানুষকে প্রভাবিত করা নতুন কিছুই নয়।
তিনি মন নিয়ে লিখেছেন। মানুষ নিয়ে লিখেছেন। সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তবুও ডেল কার্নেগি কেন মনোবিজ্ঞানী হতে পারলেন না? মানে আরেকটা সিগমুন্ড ফ্রয়েড বা কার্ল ইয়াং!
এই প্রশ্ন যত সহজ এর উত্তর কিন্তু তত সহজ নয়। আর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমি যা পেয়েছি সেসব বেশ কড়া তিতা কথা এবং ব্যাপক ইংরেজি শব্দের মিশ্রণ। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সেসব সহজভাবে উপস্থাপন করতে।
এটা খুবই সত্য, অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, ডেল কার্নেগিকে কেন সিগমুন্ড ফ্রয়েড বা কার্ল ইয়াং-এর মতো ‘বিজ্ঞানী’ বা ‘মনোসমীক্ষক’ বলা হয় না? এর কারণ মাত্র একটাই। তিনি মানুষকে বড় বড় থিওরি বা তত্ত্ব শোনাতে চাননি, তিনি চেয়েছিলেন মানুষের হাতে দ্রুত কাজে লাগানোর মতো সমাধান তুলে দিতে।
এই বিষয়টি ৫টি প্রধান কারণের মাধ্যমে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা যাক:
১. লক্ষ্য ছিল প্র্যাকটিক্যাল টুলকিট, কোনো জটিল থিওরি নয়
ডেল কার্নেগি কখনোই পণ্ডিত বা গবেষকদের জন্য বই লেখেননি। তিনি নিজেই স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “আমি স্কলারদের জন্য লিখছি না; আমি সেই সাধারণ মানুষটির জন্য লিখছি, যে আগামীকাল সকালেই জীবনে এগিয়ে যেতে চায়।”
কার্ল ইয়াং বা ফ্রয়েডের বই পড়তে গেলে আপনাকে ‘Unconscious (অবচেতন মন)’ বা ‘Archetype (আদিম মানসিক প্রতিচ্ছবি)’ -এর মতো জটিল বিষয় বুঝতে বছরের পর বছর ব্যয় করতে হবে। কিন্তু কার্নেগি জানতেন, সাধারণ মানুষের হাতে অত সময় নাই।
তার কোর্সে কোনো লিখিত পরীক্ষা বা সার্টিফিকেট ছিল না। সেখানে থাকত অদ্ভুত সব হোমওয়ার্ক। যেমন: আজ গিয়ে পাঁচজন মানুষের প্রশংসা করুন এবং কাল এসে আমাকে ফলাফল জানান। তিনি চেয়েছিলেন পাঠক বা ছাত্র যেন এক রাতেই তার ব্যবহারের পরিবর্তন দেখতে পায়।
২. বিজ্ঞানের জটিল সমীকরণের ধার তিনি ধারেননি
আধুনিক বিজ্ঞান বা মনোবিজ্ঞানে কোনো কিছু প্রমাণ করতে হলে ‘নিউরোসায়েন্স’, ‘কন্ট্রোল-গ্রুপ’ বা ‘পি-ভ্যালিউ (P-value)’-এর মতো পরিসংখ্যানের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কার্নেগির অভিধানে এই শব্দগুলোর কোনো জায়গা ছিল না। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় হাজার হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা করে ও পরিসংখ্যান দিয়ে প্রমাণ করতে হয় যে একটি ওষুধ বা পদ্ধতি কাজ করছে অথবা, কাজ করছে না।
Anecdotal Evidence: কার্নেগি এই পথে হাঁটেননি। তিনি ব্যবহার করেছেন ‘Anecdotal’ বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার গল্প। যেমন: টেক্সাসের একজন সাধারণ গৃহিণী বা নিউইয়র্কের একজন সেলসম্যান কীভাবে তার বিপদ কাটালেন। বিজ্ঞানের চোখে একে ‘গবেষণা’ বলা না গেলেও, সাধারণ মানুষের কাছে এটিই ছিল সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ।
তিনি ফ্রয়েডের মতো রোগীর ইতিহাস পর্যবেক্ষণ (Clinical Observation) থেকে হাইপোথিসিস বা থিওরি তৈরির দীর্ঘ পথে হাঁটেননি। তাই একাডেমিক জার্নাল বা পিয়ার-রিভিউ (Peer-review)-এর জগতে তাকে ‘নন-একাডেমিক’ বা প্রথাগত শিক্ষার বাইরের মানুষ হিসেবেই দেখা হয়।
৩. ১৯৩০-এর মহামন্দা ও বাজারের চাহিদা
ডেল কার্নেগির উত্থান এমন এক সময়ে, যখন পৃথিবীজুড়ে চলছে ১৯৩০-এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা (Great Depression)। মানুষের পেটে ভাত নাই, চাকুরী চলে যাচ্ছে। সেই সময়ে মানুষ ফ্রয়েডের “Id-Ego-Superego (মানুষের মনের তিনটি জটিল স্তর)” নিয়ে গবেষণা করতে চায়নি। তারা চেয়েছিল, কীভাবে বসের সাথে কথা বলে চাকরিটা বাঁচানো যায়?
কার্নেগি ইনস্টিটিউট (১৯১২): কার্নেগি ঠিক এই জায়গাটিতেই হাত দিয়েছিলেন। তাঁর ট্রেনিং সেন্টারে তখন ভর্তি ফি ছিল অনেক বেশি (যা আজকের দিনে প্রায় ৪০০ ডলারের সমান)। তবুও মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ত।
সেখানে পাস-ফেলের কোনো বালাই ছিল না। মন্ত্র ছিল একটাই, “আজ ক্লাসে যা শিখলেন, কাল অফিসেই তা প্রয়োগ করুন।” ফ্রয়েড যেখানে বছরের পর বছর রোগীকে বিশ্লেষণ (Psychoanalysis) করতেন, সেখানে কার্নেগি দিলেন “Do-this-Do-that” বা “এটা করো, ওটা করো” -এর মতো চটজলদি নির্দেশিকা। বাজার এই সহজ সমাধানটিই লুফে নিয়েছিল।
৪. এন্টারটেইনার নাকি শিক্ষক?
কার্নেগির নিজের উঠে আসার গল্পটিও বেশ চমকপ্রদ। মিসৌরির এক সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা এই মানুষটির কোনো পিএইচডি (Ph.D.) ডিগ্রি ছিল না। তিনি ছিলেন একজন গ্র্যাজুয়েট, যিনি জীবন শুরু করেছিলেন অভিনেতা এবং সেলসম্যান হিসেবে।
তার আসল প্রতিভা কোনো নতুন থিওরি আবিষ্কার করা ছিল না; তার প্রতিভা ছিল স্টেজে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার শ্রোতাকে মুহূর্তের মধ্যে হাসানো, কাঁদানো এবং অনুপ্রাণিত করা। তিনি নিজেকে নিয়ে খুব সুন্দর একটি কথা বলতেন: “আমি একজন এন্টারটেইনার বা বিনোদনকারী যে মানুষকে শেখায়; আমি এমন কোনো শিক্ষক নই যে শুধুমাত্র বিনোদন দেয়।”
৫. বিজ্ঞান-সমাজের ফিল্টার
কার্নেগি কখনোই মনোবিজ্ঞানের কোনো আলাদা ‘School’ বা ধারা তৈরি করতে চাননি। তাই তার অনুসারীরা কোনো সায়েন্টিফিক জার্নালে লেখালেখি করেননি, তাঁরা ভিড় জমিয়েছেন বিজনেস ক্লাবগুলোতে। আধুনিক মনোরোগবিদ্যার বাইবেল বলা হয় ‘DSM (Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders)’-কে। এই বইয়ে কার্নেগির কোনো উল্লেখ নেই।
কারণ:
(ক) কার্নেগি কোনো মানসিক রোগ বা ‘Disorder’ নিয়ে কাজ করেননি।
(খ) তিনি কাজ করেছেন ‘Self-help Skill’ বা আত্ম-উন্নয়নের দক্ষতা নিয়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর কোনো ‘ক্লিনিক্যাল’ ভিত্তি নেই, কিন্তু বাস্তব জীবনে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
ফ্রয়েড এবং কার্ল ইয়াং মানুষের মনের গভীরে খনন করে সেখানকার অন্ধকার দিকগুলো তুলে এনেছেন। আর ডেল কার্নেগি? তিনি সেই অন্ধকারে হাঁটার জন্য রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের মতো আলো জ্বালিয়ে দিয়েছেন। তিনি কখনোই নিজেকে মনোবিজ্ঞানী দাবি করেননি।
তার লক্ষ্য ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। সকাল ৯টার মিটিং-এ ভয়ে হাত-পা কাঁপা ছেলেটিকে মাত্র ৩টি সহজ টিপস দিয়ে বিকেল ৫টার মধ্যে একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষে পরিণত করা। তিনি বিশ্বকে কোনো জটিল থিওরি দেননি, দিয়েছেন জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার কার্যকরী হাতিয়ার বা টুলকিট।
খেয়াল করবেন, আমি কোথাও তাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করি নাই। কারণ এই মানুষটি একইসাথে কারো কাছে সস্তা আবার কারো কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করে উচ্চারণের দায়িত্ব আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।
আমার পক্ষ থেকে ডেল কার্নেগির জন্য একটি ট্রিবিউট হিসেবে এই লেখা। কারণ ডেল কার্নেগির লেখা পড়ার সুযোগ হয়েছে বলেই হয়তো সিগমুন্ড ফ্রয়েডের নাম জানি ও কার্ল ইয়াং কে ভালো করেই চিনি!
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
পছন্দ
1
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
মজার
0
রাগান্বিত
0
দুঃখজনক
0
চমৎকার
0