সমরেশ মজুমদারকে স্মরণ: জীবন, সাহিত্য ও অনিমেষ-মাধবীলতার উত্তরাধিকার
ডুয়ার্সের শৈশব, অনিমেষ-মাধবীলতা, সাতকাহনের দীপাবলী, অর্জুন ও সাহিত্যিক উত্তরাধিকার নিয়ে সমরেশ মজুমদারকে স্মরণ।
সাহিত্যিক স্মরণ
সমরেশ মজুমদারকে স্মরণ: জীবন, সাহিত্য ও অনিমেষ-মাধবীলতার উত্তরাধিকার
ডুয়ার্সের চা-বাগান, কলকাতার অস্থির সময়, অনিমেষ-মাধবীলতার বিশ্বাস এবং প্রজন্মান্তরের জীবনসংগ্রাম যাঁর কথাসাহিত্যে একসঙ্গে স্পন্দিত হয়েছে।
একজন লেখক চলে যান, তাঁর চরিত্রেরা থেকে যায়
সমরেশ মজুমদারের প্রয়াণের সংবাদ শুনে প্রথমেই আমার মনে পড়েছিল কয়েকটি পরিচিত নাম: অনিমেষ, মাধবীলতা, অর্ক, দীপাবলী ও অর্জুন। চরিত্রগুলো যেন বইয়ের পাতা থেকে উঠে বহু আগেই আমাদের পরিচিত মানুষের দলে মিশে গিয়েছিল। তাঁদের বিশ্বাস, অভিমান, ভুল, প্রতিবাদ ও বেঁচে থাকার চেষ্টা পাঠক হিসেবে আমাদের স্মৃতিরও অংশ হয়ে আছে।
এই কারণেই সমরেশ মজুমদারকে স্মরণ করা শুধু একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকের জীবনপঞ্জি ফিরে দেখা নয়। তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে ডুয়ার্সের চা-বাগান, কলকাতার রাজপথ, রাজনৈতিক স্বপ্নভঙ্গ, নারীর আত্মমর্যাদা এবং পরবর্তী প্রজন্মের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎও নতুন করে পড়া হয়।
তিনি চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর চরিত্রেরা এখনো প্রশ্ন করে: আদর্শ ব্যর্থ হলে মানুষ কী নিয়ে বাঁচে? ভালোবাসা কি শুধু আশ্রয়, নাকি স্বাধীনভাবে দাঁড়িয়ে থাকার শক্তিও? আর উত্তরাধিকার কি রক্তে আসে, নাকি প্রতিটি প্রজন্মকে তা নতুন করে অর্জন করতে হয়?
ডুয়ার্স থেকে কলকাতা
সমরেশ মজুমদারের শৈশব কেটেছিল উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স অঞ্চলের চা-বাগানঘেরা পরিবেশে। সবুজ প্রকৃতি, বৃষ্টি, পাহাড়ের নৈকট্য, বাগানের শ্রমজীবী মানুষ এবং ছোট জনপদের অভিজ্ঞতা তাঁর স্মৃতিতে স্থায়ী হয়ে ছিল। পরবর্তী সময়ে এই ভূগোল তাঁর লেখায় কেবল দৃশ্যপট হয়ে ফিরে আসেনি; মানুষের শ্রেণিগত অবস্থান, বিচ্ছিন্নতা এবং জীবনসংগ্রামের অংশও হয়েছে।
জলপাইগুড়িতে বিদ্যালয়শিক্ষা শেষে তিনি কলকাতায় আসেন। Scottish Church College থেকে বাংলায় স্নাতক এবং University of Calcutta থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। উত্তরবঙ্গের তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ থেকে কলকাতার ছাত্রজীবন, মিছিল, রাজনৈতিক বিতর্ক ও নগর-মধ্যবিত্ত বাস্তবতার মধ্যে প্রবেশ তাঁর সাহিত্যিক দৃষ্টিকে আরও বিস্তৃত করে।
সম্পাদকীয় নোট: তাঁর জন্মতারিখ ১০ মার্চ। তবে জন্মসাল নিয়ে নির্ভরযোগ্য প্রকাশিত উৎসে ১৯৪২ ও ১৯৪৪, উভয় তথ্য পাওয়া যায়। ফলে মৃত্যুকালীন বয়সও কিছু উৎসে ৮১ এবং কিছু উৎসে ৭৯ লেখা হয়েছে। বর্তমান নিবন্ধ নির্ধারক প্রাথমিক নথি ছাড়া একটি সালকে চূড়ান্ত করছে না।
মঞ্চের আকর্ষণ থেকে কথাসাহিত্যে
সমরেশ মজুমদারের লেখক হয়ে ওঠার পেছনে গ্রুপ থিয়েটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। একটি সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে তিনি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম ‘অন্তর আত্মা’ বলেছিলেন। গল্পটি প্রথমে একটি নাট্যদলের জন্য লেখা হয়েছিল এবং পরে ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তবে অন্য কিছু মাধ্যমিক উৎসে গল্পটির নামের ভিন্ন পাঠ পাওয়া যায়। তাই ‘অন্তর আত্মা’ নামটি লেখকের বক্তব্যভিত্তিক হলেও প্রকাশনার মূল নথি না পাওয়া পর্যন্ত তথ্যটিকে সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’। এটি তাঁর প্রথম রচনা নয়। ‘দেশ’ পত্রিকায় উপন্যাসটির প্রকাশকাল নিয়ে ১৯৭৫ ও ১৯৭৬, উভয় সাল পাওয়া যায়। নির্ধারক পত্রিকা-সংখ্যা বা প্রথম সংস্করণের তথ্য হাতে না থাকায় নিরাপদভাবে বলা যায়, সত্তরের দশকের মাঝামাঝি ‘দৌড়’ প্রকাশের পর ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি ব্যাপক পাঠকপরিচিতি লাভ করেন।
মঞ্চের প্রতি এই প্রাথমিক আকর্ষণের ছাপ তাঁর গদ্যে অনুভব করা যায়। দৃশ্য দ্রুত বদলায়, সংলাপ কাহিনিকে এগিয়ে নেয় এবং চরিত্রের প্রবেশ ও প্রস্থান প্রায়ই নাটকীয় আবহ তৈরি করে। তবু সেই নাটকীয়তা সাধারণত গল্পের গতিকে থামিয়ে দেয় না।
অনিমেষ, মাধবীলতা ও অর্ক: সময়ের মধ্যে একটি পরিবার
‘উত্তরাধিকার’, ‘কালবেলা’ ও ‘কালপুরুষ’ দীর্ঘদিন অনিমেষ ত্রয়ী হিসেবে পরিচিত। প্রথম উপন্যাসে অনিমেষের শৈশব, পরিবার, উত্তরবঙ্গের সামাজিক পরিবেশ এবং কলকাতামুখী যাত্রার ভিত তৈরি হয়। ‘কালবেলা’য় ছাত্ররাজনীতি, নকশাল আন্দোলনের অভিঘাত, রাষ্ট্রীয় দমন এবং অনিমেষ-মাধবীলতার সম্পর্ক একই আখ্যানের ভেতর প্রবেশ করে। ‘কালপুরুষ’ সেই ইতিহাসের পরবর্তী প্রজন্মকে সামনে আনে অর্কের মাধ্যমে।
অনিমেষের রাজনৈতিক যাত্রা কোনো সরল বিজয়ের কাহিনি নয়। বিশ্বাস, ভুল, সাহস, সহিংসতা, পরাজয় এবং আত্মসমালোচনার মধ্য দিয়ে মানুষ ও রাজনীতির সম্পর্ক জটিল হয়ে ওঠে। অন্যদিকে মাধবীলতাকে শুধু অনিমেষের প্রেমিকা বা বিপর্যস্ত মানুষের আশ্রয় হিসেবে পড়লে তাঁর স্বাধীনতা ছোট করা হয়। সামাজিক বাধা, অর্থনৈতিক চাপ, মাতৃত্ব এবং ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্নে তিনি নিজের সিদ্ধান্তে দাঁড়ান।
অর্ক এমন এক সময়ে বড় হয়, যখন আগের প্রজন্মের বিপ্লবী স্বপ্ন ক্ষয়প্রাপ্ত, অথচ বৈষম্য ও ক্ষমতার অসুস্থতা রয়ে গেছে। পিতার আদর্শ ও মায়ের দৃঢ়তা তার উত্তরাধিকারের অংশ হলেও তা গ্রহণের পথ সরল নয়। অর্কের জীবন সেই প্রশ্ন তোলে: নৈতিক উত্তরাধিকার কি জন্মসূত্রে পাওয়া যায়, নাকি অভিজ্ঞতা ও সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে অর্জন করতে হয়?
বহু বছর পরে প্রকাশিত ‘মৌষলকাল’ পরিচিত চরিত্রগুলোকে পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনে। ফলে প্রথম তিনটি বইকে ঐতিহাসিকভাবে অনিমেষ ত্রয়ী বলা যথার্থ হলেও পূর্ণ ধারাবাহিকটি চারটি উপন্যাসে বিস্তৃত হয়েছে। ‘মৌষলকাল’ ত্রয়ীর সমাপ্তির পরিপূরক, নাকি পৃথক পরবর্তী অধ্যায়, সেই প্রশ্ন পাঠের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
রাজনীতির ভেতর মানুষকে দেখা
‘কালবেলা’ রাজনৈতিক সময়কে ধারণ করে, কিন্তু উপন্যাসটির শক্তি শুধু রাজনৈতিক ঘটনাবলির পুনর্নির্মাণে নয়। অনিমেষের বিশ্বাস, মাধবীলতার আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রাষ্ট্রীয় দমন এবং ভুলের মধ্য দিয়ে সত্য খোঁজার চেষ্টা উপন্যাসটিকে মানবিক জটিলতা দেয়।
গ্রন্থের ভূমিকায় সমরেশ মজুমদার আলোচিত সময়কে ঘনিষ্ঠভাবে জানার চূড়ান্ত দাবি করেননি। তিনি কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার সরাসরি প্রতিলিপি নির্মাণের কথাও বলেননি। বরং নিজের বিশ্বাস, অনুসন্ধান এবং সময়টির মনে লেগে থাকা অভিঘাত থেকে আখ্যানটি নির্মাণের কথা জানিয়েছিলেন।
এই অবস্থান মনে রাখা জরুরি। ‘কালবেলা’ কোনো ঐতিহাসিক দলিল নয়, আবার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন কল্পনাও নয়। এটি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, মতভেদ, দমন, ভালোবাসা ও আত্মসমালোচনাকে কথাসাহিত্যের ভেতর দিয়ে দেখার একটি প্রচেষ্টা।
দীপাবলী, অর্জুন এবং সাহিত্যিক বৈচিত্র্য
‘সাতকাহন’-এর দীপাবলী সমরেশ মজুমদারের সাহিত্যিক পরিসরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আনে। তাঁর জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাল্যবিবাহ, শিক্ষা, কর্মজীবন, সামাজিক প্রত্যাশা এবং নারীর আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রশ্ন উঠে আসে। ডুয়ার্সের চা-বাগান থেকে বৃহত্তর শিক্ষা ও কর্মজগতে তাঁর যাত্রা কেবল ভৌগোলিক নয়; প্রতিটি পর্যায়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সামাজিক বিধিনিষেধের সংঘাত নতুন রূপ নেয়।
লেখকের একটি স্মৃতিচারণে শৈশবে দেখা একটি বাল্যবিবাহের ঘটনা দীপাবলী চরিত্র নির্মাণের প্রেরণাগুলোর একটি হিসেবে উঠে এসেছে। একটি বাস্তব স্মৃতি অবশ্যই এমন জটিল চরিত্রের একমাত্র উৎস নয়; বরং এটি লেখকের পর্যবেক্ষণ ও পরবর্তী সাহিত্যিক কল্পনার মধ্যে একটি সংযোগ দেখায়।
অন্যদিকে কিশোর পাঠকের জন্য নির্মিত অর্জুন রহস্য, ভ্রমণ, বিপদ ও অনুসন্ধানের সম্পূর্ণ ভিন্ন জগৎ তৈরি করে। সমরেশ মজুমদারের সাহিত্য শুধু রাজনৈতিক বা সামাজিক উপন্যাসে সীমাবদ্ধ ছিল না। ছোটগল্প, কিশোরসাহিত্য, গোয়েন্দা-রোমাঞ্চ, ভ্রমণকাহিনি ও চিত্রনাট্যেও তাঁর বিচরণ ছিল।
বিষয় ও পাঠকবয়স বদলালেও তাঁর গল্প বলার গতি, দৃশ্য নির্মাণ এবং চরিত্রকে দ্রুত জীবন্ত করে তোলার ক্ষমতা বিভিন্ন ধারার লেখাকে এক ধরনের স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
আনন্দ পুরস্কার: প্রতিষ্ঠিত সংবাদ ও গ্রন্থতথ্যে ১৯৮২ সালে এই পুরস্কার পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার: সাহিত্য অকাদেমির সরকারি তালিকা অনুযায়ী ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য তিনি এই পুরস্কার লাভ করেন।
বঙ্কিম পুরস্কার: প্রতিষ্ঠিত প্রতিবেদনে ২০০৯ সালে ‘কলিকাতায় নবকুমার’ গ্রন্থের জন্য এই পুরস্কার পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
বঙ্গবিভূষণ: ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করে বলে সমকালীন প্রতিবেদন ও সরকারি শোকবার্তায় উদ্ধৃত হয়েছে।
চিত্রনাট্য ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট কাজের জন্যও তিনি স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। পুরোনো লেখায় থাকা কয়েকটি পুরস্কারের পূর্ণ নাম, সাল ও সংশ্লিষ্ট কাজ নির্ভরযোগ্য প্রাথমিক নথিতে নিশ্চিত করা যায়নি বলে বর্তমান সংস্করণে সেগুলো পুনরাবৃত্তি করা হয়নি।
প্রয়াণ, কিন্তু পাঠের সমাপ্তি নয়
দীর্ঘ অসুস্থতার পর ২০২৩ সালের ৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে সমরেশ মজুমদারের মৃত্যু হয়। সমসাময়িক প্রতিবেদনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
তাঁর মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের পাঠক, লেখক ও সংস্কৃতিজগতের মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তাঁর জনপ্রিয়তা কোনো একটি অঞ্চল বা একটি উপন্যাসে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাহিত্য থেকে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে রূপান্তরিত রচনাগুলোও তাঁর চরিত্র ও গল্পকে বইয়ের বাইরের পাঠক-দর্শকের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
শেষ কথা: যে উত্তরাধিকার পাঠকের
সমরেশ মজুমদারের কথাসাহিত্যকে শুধু জনপ্রিয়তার পরিমাপে বিচার করলে তাঁর নির্মিত সময় ও মানুষের জটিলতা পুরোপুরি ধরা পড়ে না। তাঁর চরিত্রেরা কোনো বিশ্বাস নিয়ে পথ শুরু করে, সময়ের কাছে আঘাত পায়, ভুল করে, কখনো পরাজিত হয় এবং তবু নতুন অর্থ খোঁজে।
অনিমেষের রাজনৈতিক স্বপ্ন, মাধবীলতার ব্যক্তিগত মর্যাদা, অর্কের উত্তরাধিকার-সংকট, দীপাবলীর আত্মপ্রতিষ্ঠা এবং অর্জুনের অনুসন্ধিৎসা একই লেখকের ভিন্ন ভিন্ন সাহিত্যিক জগৎকে সামনে আনে। চরিত্রগুলো একই ধরনের নয়, কিন্তু প্রত্যেকেই নিজের সময়ের সঙ্গে সংঘাতে প্রবেশ করে।
একজন লেখকের জীবন শেষ হয়। তাঁর সৃষ্টি পাঠকের নতুন সময়, নতুন প্রশ্ন ও নতুন ব্যাখ্যার মধ্যে আবার জন্ম নেয়। সমরেশ মজুমদারের উত্তরাধিকারও তাই শুধু বইয়ের তালিকায় নয়; দুই বাংলার পাঠকের স্মৃতি, বিতর্ক এবং ফিরে ফিরে পড়ার অভ্যাসের মধ্যেই বেঁচে থাকবে।
তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স
Sahitya Akademi. “Akademi Awards: Bengali.” ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’র জন্য সমরেশ মজুমদারের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারের সরকারি তালিকা। Accessed 4 October 2026। সরকারি পুরস্কারতালিকা দেখুন
আনন্দবাজার পত্রিকা। ৮ মে ২০২৩। “দীর্ঘ দিন রোগভোগের পর সমরেশ মজুমদার প্রয়াত।” প্রয়াণ, শিক্ষা, সাহিত্যকর্ম ও পুরস্কারসংক্রান্ত সমসাময়িক প্রতিবেদন। প্রতিবেদন দেখুন
প্রথম আলো। ৮ মে ২০২৩। “সমরেশ মজুমদার আর নেই।” জীবন, সাহিত্য ও দুই বাংলায় পাঠকপ্রিয়তা নিয়ে সমসাময়িক প্রয়াণসংবাদ। প্রতিবেদন দেখুন
The Daily Star. 8 May 2023. “Renowned Author Samaresh Majumdar No More.” প্রয়াণ, স্বাস্থ্যগত জটিলতা, সাহিত্যকর্ম ও রূপান্তরসংক্রান্ত প্রতিবেদন। প্রতিবেদন দেখুন
জাগো নিউজ ২৪। ৮ মে ২০২৩। “প্রথম গল্প লিখে ১৫ টাকা পেয়েছিলেন সমরেশ মজুমদার।” লেখকের বক্তব্যভিত্তিক প্রথম গল্প ও দীপাবলী চরিত্রের প্রেরণাসংক্রান্ত প্রতিবেদন। প্রতিবেদন দেখুন
সমরেশ মজুমদার। কালবেলা। প্রথম সংস্করণ: বৈশাখ ১৩৯০। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড। লেখকের ভূমিকা ও উপন্যাসের সাহিত্যিক অবস্থানসংক্রান্ত মুদ্রিত গ্রন্থতথ্য।
PBS Book Shop. “অনিমেষ ট্রিলজি: উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ।” মূল ত্রয়ীর বর্তমান গ্রন্থবিন্যাস ও প্রকাশকীয় তথ্য। গ্রন্থতথ্য দেখুন
রকমারি। “অনিমেষ চতুষ্ক।” ‘উত্তরাধিকার’, ‘কালবেলা’, ‘কালপুরুষ’ ও ‘মৌষলকাল’ নিয়ে চার উপন্যাসের বর্তমান গ্রন্থবিন্যাস। গ্রন্থতথ্য দেখুন
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
পছন্দ
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
মজার
0
রাগান্বিত
0
দুঃখজনক
0
চমৎকার
0