কাজে মন বসছে না? মন শান্ত রেখে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়

কাজে মন বসছে না? বিক্ষেপ কমানো, ফোন দূরে রাখা, ছোট বিরতি, পর্যাপ্ত ঘুম ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনায় মনোযোগ ধরে রাখার উপায় জানুন।

প্রকাশিত:
হালনাগাদ:
 ০  ২
কাজে মন বসছে না? মন শান্ত রেখে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়
জানালার পাশে একটি সাধারণ ডেস্কে ল্যাপটপ নিয়ে মনোযোগসহ কাজ করছেন এক তরুণী; তাঁর স্মার্টফোনটি নাগালের বাইরে দেয়ালের আলাদা তাকে রাখা।

গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ সামনে পড়ে আছে, সময়ও চলে যাচ্ছে, কিন্তু কিছুতেই মন বসছে না। কখনো ফোনের নোটিফিকেশন, কখনো চারপাশের শব্দ, আবার কখনো নিজের ভেতরের অস্থিরতা কাজে বাধা দিচ্ছে। এমন অবস্থায় নিজেকে অলস বা অযোগ্য ভাবার প্রয়োজন নেই। মনোযোগ কোনো স্থায়ী অবস্থা নয়। তবে কিছু বাস্তবসম্মত অভ্যাস গড়ে তুললে মন শান্ত রেখে কাজে মনোযোগ দেওয়া অনেকটাই সহজ হতে পারে।

সম্পাদকীয় নোট: সেলিনা আক্তার শাপলার এই লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২৯ এপ্রিল ২০২২। বর্তমান সংস্করণে মূল লেখকের ব্যবহারিক বক্তব্য ও উৎসাহমূলক ভঙ্গি সংরক্ষণ করে ভাষা, কাঠামো, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দাবি এবং তথ্যসূত্র হালনাগাদ করেছে অভিযাত্রী সম্পাদনা প্যানেল।

যেকোনো কাজে ভালো করতে চাইলে সেই কাজে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু মনকে জোর করে স্থির রাখা যায় না। ক্লান্তি, ঘুমের অভাব, ক্ষুধা, মানসিক চাপ, শারীরিক অস্বস্তি, চারপাশের শব্দ এবং ফোনের নোটিফিকেশনের মতো বিষয় আমাদের মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারে।

দীর্ঘ সময় ধরে একই কাজ করতে গিয়ে মনোযোগ কমে আসাও অস্বাভাবিক নয়। তাই মন অন্যদিকে চলে গেলেই হতাশ না হয়ে প্রথমে খুঁজে দেখুন, কোন বিষয়টি আপনাকে কাজ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। কারণটি ধরতে পারলে সেটি সামলানোও সহজ হয়।

মনোযোগ ধরে রাখা বলতে কী বোঝায়?

মনোযোগ ধরে রাখা মানে মনের সব চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া নয়। বরং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় বিক্ষেপ কমানো এবং মন অন্যদিকে চলে গেলে ধীরে ধীরে আবার কাজে ফিরে আসাই মনোযোগ ব্যবস্থাপনার মূল কথা।

১. কাজ শুরুর আগে লক্ষ্যটি পরিষ্কার করুন

কাজ শুরু করার আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, ঠিক কোন কাজটি এখন শেষ করতে চান। “আজ অনেক কাজ করব” বললে লক্ষ্যটি অস্পষ্ট থেকে যায়। তার বদলে বলতে পারেন, “আগামী ৩০ মিনিটে প্রতিবেদনটির ভূমিকা লিখব” অথবা “এই সময়ের মধ্যে প্রথম দুটি প্রশ্নের উত্তর প্রস্তুত করব।”

বড় একটি কাজ সামনে থাকলে সেটিকে কয়েকটি ছোট ধাপে ভাগ করুন। পুরো কাজটি একসঙ্গে ভাবলে চাপ তৈরি হতে পারে। কিন্তু প্রথম ছোট ধাপটি পরিষ্কার থাকলে শুরু করা তুলনামূলক সহজ হয়। একটি ধাপ শেষ হলে পরের ধাপে যান।

কাজ শুরু করার আগে তিনটি প্রশ্ন:

১. এখন আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?

২. কাজটির প্রথম ছোট ধাপ কী?

৩. এই ধাপের জন্য আমি কতক্ষণ সময় দেব?

দিনের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত কাজের তালিকাও তৈরি করতে পারেন। তবে তালিকাটি যেন এত বড় না হয় যে কাজ শুরুর আগেই ভয় বা হতাশা তৈরি করে। অল্প কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নির্বাচন করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর অগ্রাধিকার ঠিক করুন।

২. ফোন ও অপ্রয়োজনীয় বিক্ষেপ দূরে রাখুন

ফোন আমাদের যোগাযোগ, শেখা ও কাজের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। একই সঙ্গে নোটিফিকেশন, সামাজিক মাধ্যম কিংবা বারবার ফোন দেখার অভ্যাস মনোযোগে বাধা দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন নির্দিষ্ট মনোযোগনির্ভর কাজে প্রতিক্রিয়ার গতি কমিয়ে দিতে পারে। কিছু পরীক্ষায় ফোনের দৃশ্যমান উপস্থিতিও মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে বলে দেখা গেছে।

গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ শুরু করার সময় ফোনটি নীরব করে হাতের নাগালের বাইরে রাখতে পারেন। কাজের জন্য ফোন প্রয়োজন হলে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন এবং বার্তা দেখার জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করুন। জরুরি যোগাযোগের প্রয়োজন থাকলে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু রাখা যেতে পারে।

কাজের মাঝখানে নতুন কোনো বিষয় মনে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কাজ বদলে ফেলবেন না। বিষয়টি একটি ছোট তালিকায় লিখে রাখুন। বর্তমান কাজের নির্ধারিত ধাপ শেষ হলে সেটি দেখুন। এতে নতুন চিন্তাটি হারাবে না, আবার চলমান কাজটিও অকারণে থেমে যাবে না।

৩. নিজের জন্য কাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করুন

কাজে বসার জায়গাটি রাজকীয় বা নিখুঁতভাবে সাজানো হতে হবে না। প্রয়োজন শুধু এমন একটি পরিবেশ, যেখানে অপ্রয়োজনীয় বিক্ষেপ কম এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজে পাওয়া যায়।

কাজ শুরু করার আগে ডেস্ক বা নির্ধারিত স্থান থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা যন্ত্র কাছে রাখুন। আলো, তাপমাত্রা, বসার চেয়ার এবং পোশাক আপনার জন্য আরামদায়ক কি না, সেটিও দেখুন। শারীরিক অস্বস্তি থাকলে কাজে মন বসানো কঠিন হতে পারে।

আশপাশে অন্য মানুষ থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আপনাকে বিরক্ত না করার অনুরোধ করতে পারেন। শব্দ বেশি হলে আরামদায়ক ইয়ারপ্লাগ বা নয়েজ-ক্যান্সেলিং হেডফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দে হেডফোন ব্যবহার করা উচিত নয়।

৪. একটানা কাজ না করে প্রয়োজনমতো বিরতি নিন

দীর্ঘ সময় একটানা কাজ করলে ক্লান্তি জমতে পারে এবং মনোযোগ কমে যেতে পারে। ছোট বিরতি ক্লান্তি কমানো ও সতেজতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। তবে বিরতি নিলেই সব ধরনের কাজে দক্ষতা নিশ্চিতভাবে বেড়ে যাবে, এমন নয়। কাজের ধরন, বিরতির দৈর্ঘ্য এবং বিরতির সময় আপনি কী করছেন, তার ওপর ফল ভিন্ন হতে পারে।

শুরুতে চাইলে ২৫ মিনিট কাজ এবং ৫ মিনিট বিরতির মতো একটি সহজ ছন্দ পরীক্ষা করতে পারেন। তবে এটিকে সবার জন্য আদর্শ নিয়ম ভাবার প্রয়োজন নেই। কেউ ৪০ বা ৫০ মিনিট স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারেন, আবার কারও তুলনামূলক দ্রুত বিরতির প্রয়োজন হতে পারে। নিজের কাজের ধরন ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী সময় ঠিক করুন।

বিরতির সময় চেয়ার থেকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটুন, শরীর হালকা প্রসারিত করুন, পানি পান করুন কিংবা চোখকে পর্দা থেকে বিশ্রাম দিন। বিরতির নামে সামাজিক মাধ্যমে ঢুকে দীর্ঘ সময় আটকে গেলে বিরতির মূল উদ্দেশ্য নষ্ট হতে পারে।

৫. শরীরের স্বাভাবিক প্রয়োজনের যত্ন নিন

ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘুমঘুম ভাব, মাথাব্যথা, অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা কিংবা শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন উপেক্ষা করে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে। কাজের চাপ থাকলেও শরীরের স্বাভাবিক প্রয়োজনগুলো অবহেলা করবেন না।

খালি পেটে কাজে বসলে কারও কারও অস্বস্তি বা মনোযোগের সমস্যা হতে পারে। তাই নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবার খেয়ে কাজে বসুন। কাজের ফাঁকে পানি পান করুন। হালকা নাশতা প্রয়োজন হলে ফল, বাদাম বা আপনার জন্য উপযোগী খাবার বেছে নিতে পারেন।

চা বা কফি সাময়িকভাবে সতর্কতা বাড়াতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত ক্যাফেইন অস্থিরতা বাড়াতে কিংবা ঘুমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই সবার জন্য একই পরিমাণ উপযোগী হবে না।

পর্যাপ্ত ঘুমও মনোযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে। শিশু ও কিশোরদের ঘুমের প্রয়োজন বয়স অনুযায়ী আরও বেশি। নিয়মিত ঘুমের সমস্যা থাকলে শুধু উৎপাদনশীলতার কৌশল দিয়ে সেটিকে ঢেকে না রেখে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৬. কাজ শুরুর আগে মনকে একটু শান্ত হতে দিন

মানসিক চাপ বা অস্থিরতার মধ্যে সরাসরি কঠিন কাজে বসলে মনোযোগ দিতে সমস্যা হতে পারে। কাজ শুরু করার আগে অল্প সময় নীরবে বসুন। কাঁধ শিথিল রাখুন এবং জোর না করে ধীরে ও স্বচ্ছন্দভাবে শ্বাস নিন। শ্বাসের স্বাভাবিক আসা-যাওয়া এবং পেটের হালকা ওঠানামা লক্ষ করতে পারেন।

নিয়ন্ত্রিত শ্বাসের অনুশীলন অনেক মানুষের চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটিকে কোনো মানসিক বা শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে দেখবেন না। কোনো অনুশীলনে মাথা ঘোরা, দমবন্ধ লাগা বা অস্বস্তি হলে থেমে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন।

মানসিক চাপকে “মাথা থেকে একদম সরিয়ে ফেলতেই হবে” এমন চাপ নিজের ওপর দেবেন না। কিছু চাপ জীবনের স্বাভাবিক অংশ। বরং কোন বিষয়টি আপনাকে অস্থির করছে, তা চিহ্নিত করে ধীরে ধীরে সামলানোর চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে কথা বলুন।

৭. কোন পদ্ধতিতে আপনার কাজ ভালো হয়, সেটি যাচাই করুন

অনেকেই কাজ বা পড়ার সময় গান শুনতে পছন্দ করেন। কিন্তু গান সবার বা সব কাজের মনোযোগ একইভাবে বাড়ায় না। কথাযুক্ত গান পড়া, লেখা, ভাষা শেখা বা কোনো বিষয় মনে রাখার সময় বাড়তি বিক্ষেপ তৈরি করতে পারে। যন্ত্রসংগীতের প্রভাবও ব্যক্তি ও কাজের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

তাই অন্যের অভ্যাস অনুসরণ না করে নিজের কাজের ফল দেখুন। কয়েক দিন নীরব পরিবেশে কাজ করুন, অন্য দিন খুব নিচু শব্দে যন্ত্রসংগীত দিয়ে একই ধরনের কাজ করে দেখুন। কোথায় ভুল কম হচ্ছে, কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারছেন, তা লক্ষ করুন।

শুধু ভালো লাগার অনুভূতি দিয়ে মনোযোগ বিচার করবেন না। কাজ শেষে কী সম্পন্ন হয়েছে, কতবার কাজ থেকে সরে গিয়েছেন এবং কত ভুল হয়েছে, সেগুলোও বিবেচনা করুন। প্রয়োজনে দিনের শেষে সংক্ষিপ্তভাবে নিজের অগ্রগতি লিখে রাখতে পারেন।

আজই যেভাবে শুরু করতে পারেন

১. একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নির্বাচন করুন।

২. কাজটির প্রথম ছোট ধাপ লিখুন।

৩. ফোন কিছু সময়ের জন্য দূরে রাখুন।

৪. একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ করুন।

৫. নির্ধারিত সময় শেষে অল্প বিরতি নিয়ে অগ্রগতি দেখুন।

নিজেকে উৎসাহ দিন, কিন্তু নিখুঁত হওয়ার চাপ দেবেন না

নিজেকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। তবে “আমাকে এই কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করতেই হবে” ধরনের চিন্তা অনেক সময় উৎসাহের বদলে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। তার পরিবর্তে নিজেকে বলতে পারেন, “আমি প্রথম ছোট ধাপটি শুরু করছি” কিংবা “মন সরে গেলেও আবার কাজে ফিরে আসব।”

কোনো দিন মনোযোগ ভালো থাকবে, আবার কোনো দিন একই পদ্ধতি কম কার্যকর হতে পারে। এতে নিজেকে ব্যর্থ ভাবার কারণ নেই। আপনার ঘুম, মানসিক চাপ, কাজের পরিমাণ, পরিবেশ ও শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে মনোযোগও বদলাতে পারে।

কখন পেশাজীবীর সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে?

মনোযোগের সমস্যা যদি দীর্ঘদিন থাকে, কাজ বা পড়াশোনায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটায়, অথবা এর সঙ্গে অতিরিক্ত উদ্বেগ, মন খারাপ, ঘুমের গুরুতর সমস্যা, অস্বাভাবিক ক্লান্তি কিংবা দৈনন্দিন কাজ সামলাতে অসুবিধা যুক্ত হয়, তাহলে যোগ্য চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। এই নিবন্ধের সাধারণ পরামর্শ কোনো রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

শেষ কথা

মনোযোগ ধরে রাখা শুধু ইচ্ছাশক্তির পরীক্ষা নয়। পরিকল্পনা, বিশ্রাম, ঘুম, খাবার, শারীরিক স্বস্তি, কাজের পরিবেশ এবং ডিজিটাল বিক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ একসঙ্গে এতে ভূমিকা রাখে। আজই সব অভ্যাস বদলানোর প্রয়োজন নেই। একটি কাজ বেছে নিন, প্রথম ছোট ধাপটি ঠিক করুন এবং শুরু করুন। ধীরে ধীরে কোন পদ্ধতিটি আপনার জন্য কার্যকর, সেটিই হয়ে উঠবে আপনার মনোযোগ ধরে রাখার নিজস্ব কৌশল।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

Centers for Disease Control and Prevention. (2026). “Managing Stress.” CDC Mental Health

Centers for Disease Control and Prevention. (2024). “About Sleep.” CDC Sleep

Bentley, T. G., et al. (2023). “Breathing Practices for Stress and Anxiety Reduction: Conceptual Framework of Implementation Guidelines Based on a Systematic Review of the Published Literature.” Brain Sciences, 13(12), 1612. https://doi.org/10.3390/brainsci13121612 DOI: 10.3390/brainsci13121612

Upshaw, J. D., Stevens, C. E. Jr., Ganis, G., & Zabelina, D. L. (2022). “The Hidden Cost of a Smartphone: The Effects of Smartphone Notifications on Cognitive Control from a Behavioral and Electrophysiological Perspective.” PLOS ONE, 17(11), e0277220. https://doi.org/10.1371/journal.pone.0277220 DOI: 10.1371/journal.pone.0277220

Skowronek, J., Seifert, A., & Lindberg, S. (2023). “The Mere Presence of a Smartphone Reduces Basal Attentional Performance.” Scientific Reports, 13, 9363. https://doi.org/10.1038/s41598-023-36256-4 DOI: 10.1038/s41598-023-36256-4

Albulescu, P., Macsinga, I., Rusu, A., Sulea, C., Bodnaru, A., & Tulbure, B. T. (2022). “‘Give Me a Break!’ A Systematic Review and Meta-analysis on the Efficacy of Micro-breaks for Increasing Well-being and Performance.” PLOS ONE, 17(8), e0272460. https://doi.org/10.1371/journal.pone.0272460 DOI: 10.1371/journal.pone.0272460

Souza, A. S., & Barbosa, L. C. (2023). “Should We Turn Off the Music? Music with Lyrics Interferes with Cognitive Tasks.” Journal of Cognition, 6(1), Article 33. https://doi.org/10.5334/joc.273 DOI: 10.5334/joc.273

মূল লেখক: সেলিনা আক্তার শাপলা

প্রথম প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২২

গবেষণা, তথ্য যাচাই ও সম্পাদনা: অভিযাত্রী সম্পাদনা প্যানেল

বর্তমান সংস্করণের কপিরাইট: অভিযাত্রী

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

পছন্দ পছন্দ 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
মজার মজার 0
রাগান্বিত রাগান্বিত 0
দুঃখজনক দুঃখজনক 0
চমৎকার চমৎকার 0
সেলিনা আক্তার শাপলা আমি সেলিনা আক্তার শাপলা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। দর্শন, জীবনী, সুফিবাদ এবং মানুষের আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান আমার লেখার প্রধান বিষয়। মনীষীদের জীবন ও চিন্তাকে সহজ, স্বাভাবিক এবং পাঠযোগ্য বাংলা ভাষায় পাঠকের কাছে তুলে ধরতে আমি আগ্রহী।