‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কার’ রিভিউ: পরিবার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার মাঝে প্রেম কোথায় দাঁড়ায়?

পরিবারের ঘনিষ্ঠতা কখন ব্যক্তিস্বাধীনতায় চাপ হয়ে ওঠে? পড়ুন রণবীর-শ্রদ্ধার ‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কার’ চলচ্চিত্রের ভারসাম্যপূর্ণ রিভিউ।

প্রকাশিত:
হালনাগাদ:
 ০  ১
‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কার’ রিভিউ: পরিবার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার মাঝে প্রেম কোথায় দাঁড়ায়?
রঙিন উৎসবের আবহে হাত ধরে দৌড়াচ্ছেন রণবীর কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর; পাশে স্টাইলিশ অক্ষরে লেখা “Tu Jhoothi Main Makkaar”।

চলচ্চিত্র পর্যালোচনা

প্রেমের সম্পর্ক কি শুধু দুজন মানুষের, নাকি বিয়ের সঙ্গে সেখানে একটি গোটা পরিবারও যুক্ত হয়? Tu Jhoothi Main Makkaar হাস্যরস, গান ও পারিবারিক নাটকের ভেতর দিয়ে এই পরিচিত দ্বন্দ্বটি সামনে আনে।

একনজরে চলচ্চিত্র

মূল নাম: Tu Jhoothi Main Makkaar

পরিচালনা: Luv Ranjan

চিত্রনাট্য: Rahul Mody ও Luv Ranjan

অভিনয়: রণবীর কাপুর, শ্রদ্ধা কাপুর, ডিম্পল কাপাডিয়া, বনি কাপুর ও অনুভব সিং বাসি

সংগীত: Pritam

ধরন: রোমান্টিক কমেডি ও পারিবারিক নাটক

মুক্তি: ৮ মার্চ ২০২৩

দৈর্ঘ্য: প্রায় ১৫৯ মিনিট

মূল লেখকের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন: ৬.৫/১০
গান: ৯/১০
সংলাপ: ৭/১০

স্পয়লার সতর্কতা

এই পর্যালোচনায় চলচ্চিত্রের কাহিনি, গুরুত্বপূর্ণ বাঁক ও পরিণতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

লাভ রঞ্জনের সিনেমা মানেই প্রেম, বন্ধুত্ব, ভুল বোঝাবুঝি আর সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ কথোপকথনের একটি পরিচিত আয়োজন। Tu Jhoothi Main Makkaar-ও সেই পরিচিত পথের বাইরে পুরোপুরি যায়নি। তবে এবার প্রেমের সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যৌথ পরিবার, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত পরিসরের প্রশ্ন।

সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র রোহান ‘মিকি’ অরোরা। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। তাঁর বিপরীতে নিশা ‘তিন্নি’ মালহোত্রার ভূমিকায় আছেন শ্রদ্ধা কাপুর। মিকির মা ও বাবার ভূমিকায় যথাক্রমে ডিম্পল কাপাডিয়া ও বনি কাপুর। আর মিকির ঘনিষ্ঠ বন্ধু মনু ডাব্বাসের চরিত্রে অনুভব সিং বাসি বেশ প্রাণবন্ত অভিনয় করেছেন।

মিকি ধনী ও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একটি পরিবারের একমাত্র ছেলে। পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি বন্ধু ডাব্বাসের সঙ্গে তার একটি অদ্ভুত গোপন কাজও আছে। যারা নিজেদের প্রেমের সম্পর্ক শেষ করতে চান, মিকি তাদের এমনভাবে আলাদা হওয়ার পরামর্শ দেয়, যাতে প্রকাশ্য ঝগড়া বা সরাসরি দোষারোপ এড়ানো যায়। সহজ কথায়, সে একজন পেশাদার সম্পর্ক-বিচ্ছেদ পরামর্শক।

এই গোপন পরিচয়ই পরে মিকির নিজের প্রেমকে কঠিন পরীক্ষার সামনে দাঁড় করায়। তবে তার আগে ডাব্বাসের বিয়েপূর্ব আয়োজনে মিকি স্পেনে যায়। সেখানেই কিঞ্চির বন্ধু তিন্নির সঙ্গে তার পরিচয়।

স্পেনে প্রেমের শুরু

তিন্নিকে দেখেই মিকি আকৃষ্ট হয়। শুরুতে তিন্নি সম্পর্কের বিষয়ে খুব একটা নিশ্চিত ছিল না। কিন্তু মিকি নাছোড়বান্দা। অনেক চেষ্টা ও কথোপকথনের পর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের সম্পর্ক দ্রুত এগোয় এবং একসময় বিয়ের আলোচনাও শুরু হয়।

সিনেমার এই অংশে প্রেমের চেয়ে গান, বিদেশের মনোরম দৃশ্য এবং রণবীর-শ্রদ্ধার পর্দার উপস্থিতিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। দৃশ্যগুলো সুন্দর, গানগুলোও শ্রুতিমধুর। তবে দুজন মানুষ বিয়ের পর কেমন জীবন চান, পরিবার ও কর্মজীবন নিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা কী, সেই জরুরি কথাগুলো এখানে অনুপস্থিত।

ফলে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলেও তার ভিত্তি খুব গভীরভাবে গড়ে ওঠে না। তারা দুজনেই অনেক কথা বলে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে ঠিক সময়ে কথা বলে না। পরবর্তী সংকটের মূল কারণও এখানেই।

পরিবারের ভালোবাসা, নাকি অতিরিক্ত উপস্থিতি?

মিকির পরিবারের সঙ্গে পরিচয়ের পর তিন্নির অস্বস্তি শুরু হয়। পরিবারটি তাকে আন্তরিকভাবেই গ্রহণ করে। কেউ তাকে অপমান করে না, প্রত্যাখ্যানও করে না। বরং সবাই প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই আপন করে নিতে চায়।

মিকির কাছে এটাই পরিবারের ভালোবাসা। সবাই একসঙ্গে থাকবে, একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবে এবং একজনের জীবনে অন্যরা স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত থাকবে। কিন্তু তিন্নি এই ঘনিষ্ঠতার ভেতরে নিজের ব্যক্তিগত পরিসর সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা দেখতে পায়।

সে নিজের কাজ, স্বাধীন সিদ্ধান্ত এবং আলাদা পরিচয় বজায় রাখতে চায়। তার ভয়, বিয়ের পর ভালোবাসার নামে পরিবারের প্রত্যাশা মেনে চলতে গিয়ে নিজের মতো করে বাঁচার জায়গাটি হারিয়ে যেতে পারে।

দ্বন্দ্বটা কোথায়?

মিকির কাছে ঘনিষ্ঠ পরিবার ভালোবাসা ও নিরাপত্তার প্রতীক। তিন্নির আশঙ্কা, সেই একই ঘনিষ্ঠতা তার কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত পরিসরের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। সমস্যা তাই ভালোবাসার অভাব নয়; সমস্যা হলো ভালোবাসাকে দুজন দুইভাবে দেখছে।

তিন্নির অস্বস্তি অমূলক নয়। মিকির পরিবারের মানুষগুলো খারাপ না হলেও তাদের সম্মিলিত জীবনযাত্রা সবার জন্য স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। একইভাবে মিকির অবস্থানও পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। সে এমন একটি পরিবারে বড় হয়েছে, যেখানে কাছাকাছি থাকাই ভালোবাসার স্বাভাবিক প্রকাশ।

সমস্যা তৈরি হয় যখন দুজনের কেউই শুরুতে অন্যজনের দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বোঝার চেষ্টা করে না।

নিজের সম্পর্ক ভাঙার পরামর্শ যখন নিজেকেই দিতে হয়

মিকির সঙ্গে সরাসরি কথা না বলে তিন্নি সম্পর্কটি শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে একজন পেশাদার পরামর্শকের সাহায্য চায়। কাকতালীয়ভাবে সেই পরামর্শক মিকি নিজেই। ফোনে দুজনের পরিচয় গোপন থাকায় প্রথমে কেউ কাউকে চিনতে পারে না।

একসময় মিকি বুঝতে পারে, যে সম্পর্কটি ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ সে দিচ্ছে, সেটি তার নিজেরই সম্পর্ক। এখানে গল্পটি বেশ আকর্ষণীয় মোড় নেয়। তবে একই সঙ্গে বড় একটি প্রশ্নও তৈরি হয়: এত পরিচিত কণ্ঠ শুনেও তারা পরস্পরকে চিনতে পারল না কেন? চিত্রনাট্য এর সন্তোষজনক উত্তর দেয় না।

সত্যটা জানার পর মিকি চাইলে তিন্নির সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারত। কিন্তু সে তা না করে পরিস্থিতি নিজের মতো করে সামলানোর চেষ্টা করে। এতে তাদের সম্পর্ক ভালোবাসা ও বোঝাপড়ার জায়গা থেকে ধীরে ধীরে মানসিক লড়াইয়ে পরিণত হয়।

বিয়ের আগের রাতে মিকি তিন্নির আপত্তির আসল কারণ জানতে পারে। তিন্নি মিকিকে ভালোবাসে, কিন্তু বিয়ের পর নিজের চাকরি এবং স্বাধীনতা হারাতে চায় না। অন্যদিকে মিকি পরিবার ও প্রেমিকার মধ্যে কাউকে বেছে নেওয়ার ধারণাই মানতে পারে না।

শেষ পর্যন্ত বিয়ে আর হয় না। সব দোষ নিজের ওপর নেয় মিকি। কিছুদিন পর ডাব্বাস ও কিঞ্চির পারিবারিক অনুষ্ঠানে দুজনের আবার দেখা হয়। তখনো তাদের ভালোবাসা ও অভিমান দুটোই স্পষ্ট।

বিমানবন্দরের যাত্রা ও আবেগপূর্ণ সমাপ্তি

তিন্নি পরে জানতে পারে, মিকি তার পরিকল্পনার কথা আগেই বুঝেছিল। সে জানতে চায়, সত্য জেনেও মিকি কেন তাকে সরাসরি কিছু বলেনি। মিকির দাবি, তিন্নিকে পরিবারের সামনে বিব্রত না করার জন্যই সে নিজের ওপর সব দোষ নিয়েছিল।

তাদের জমে থাকা অভিমান কিছুটা দূর হওয়ার পর মিকির পুরো পরিবার তিন্নিকে ফিরিয়ে আনতে বিমানবন্দরের দিকে ছুটে যায়। সে এক বিশাল আয়োজন। বাস্তবে এমন দৃশ্য কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। তবে পারিবারিক কমেডি হিসেবে এই অংশটি বেশ প্রাণবন্ত এবং উপভোগ্য।

পরিবারটি তিন্নির চাকরি ও ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর মিকি ও তিন্নি আবার এক হয়।

কিন্তু এখানেই কিছু অস্বস্তিও থেকে যায়। তিন্নির আপত্তি ছিল ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাধীনতা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত তাকেই মিকির পারিবারিক কাঠামোয় ফিরে যেতে হয়। পরিবার বদলানোর কথা বললেও সেই পরিবর্তন বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সিনেমা তা দেখায় না।

দুজনের জন্য গ্রহণযোগ্য নতুন জীবনব্যবস্থা কিংবা সীমারেখা গড়ে তোলার বদলে আবেগপূর্ণ পুনর্মিলনকেই চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক রোমান্টিক কমেডি হিসেবে এটি আনন্দদায়ক, কিন্তু চলচ্চিত্রটি যে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রশ্ন তুলেছিল, তার পূর্ণ উত্তর এখানে পাওয়া যায় না।

অভিনয় ও চরিত্রায়ন

রণবীর কাপুর মিকি চরিত্রে স্বচ্ছন্দ। তাঁর উপস্থিতি, আবেগ প্রকাশ এবং দ্রুত সংলাপ বলার দক্ষতা চরিত্রটিকে প্রাণবন্ত করেছে। তবে কিছু জায়গায় দীর্ঘ ও অতিদ্রুত সংলাপ স্বাভাবিক কথোপকথনের চেয়ে বক্তৃতার মতো শোনায়।

শ্রদ্ধা কাপুর তিন্নির স্বাধীনচেতা মনোভাব ও দ্বিধা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তবে চিত্রনাট্যে তাঁর চরিত্র আরও কিছুটা গভীরতা পাওয়ার যোগ্য ছিল। পরিবার ও স্বাধীনতা নিয়ে তিন্নির অস্বস্তির পেছনের অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃতভাবে দেখানো হলে তাঁর সিদ্ধান্তগুলো দর্শকের কাছে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠত।

ডাব্বাসের চরিত্রে অনুভব সিং বাসি বেশ মানানসই। তাঁর উপস্থিতি সিনেমায় প্রয়োজনীয় হাস্যরস যোগ করেছে। মিকি ও ডাব্বাসের বন্ধুত্বের রসায়নও ভালো। ডিম্পল কাপাডিয়া মিকির স্নেহশীল কিন্তু কর্তৃত্বপূর্ণ মায়ের ভূমিকায় নজর কেড়েছেন। বনি কাপুরের চরিত্রটিতে করার মতো কাজ তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

সংলাপ ও চিত্রনাট্য

সংলাপ মোটামুটি চলনসই। বেশ কিছু জায়গায় হাস্যরস কাজ করেছে, তবে মনে দীর্ঘদিন থেকে যাওয়ার মতো সংলাপ খুব বেশি নেই। চরিত্রগুলো প্রায়ই খুব দ্রুত এবং একটানা কথা বলে। কারও কাছে এটি প্রাণবন্ত মনে হতে পারে, আবার কারও কাছে ক্লান্তিকরও লাগতে পারে।

প্রথম ভাগের প্রেমের অংশটি প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ। দ্বিতীয় ভাগে পরিবার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার দ্বন্দ্ব সামনে আসার পর সিনেমা বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। তবে গল্পের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো, মূল সংকটটি অনেকাংশেই এমন একটি ভুল বোঝাবুঝির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা দুজনের একটি খোলামেলা কথোপকথনেই সমাধান হতে পারত।

সিনেমার প্রাণ এর সংগীত

এই সিনেমার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক সংগীত। প্রীতম বরাবরের মতো তাঁর মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। গানগুলো শ্রুতিমধুর এবং সিনেমার প্রাণবন্ত পরিবেশের সঙ্গে মানানসই। নৃত্য পরিকল্পনাও অনবদ্য।

স্পেনের বহির্দৃশ্য থেকে শুরু করে দিল্লির পারিবারিক পরিবেশ পর্যন্ত চিত্রগ্রহণ বেশ দৃষ্টিনন্দন। উজ্জ্বল দৃশ্য, আকর্ষণীয় গান ও দ্রুত সম্পাদনা অনেক সময় দুর্বল চিত্রনাট্যের অভাব বুঝতে দেয় না।

তবে দৃশ্য ও সংগীতের চাকচিক্যের আড়ালে প্রধান চরিত্র দুটির মানসিক বিকাশ কিছুটা অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। প্রেম কেন তৈরি হলো এবং গুরুতর মতপার্থক্যের পরও কীভাবে তা টিকে থাকবে, সেই জায়গাগুলো আরও গভীর হতে পারত।

বক্স অফিসে কেমন করেছিল?

চলচ্চিত্রটির বক্স অফিস আয় নিয়ে বিভিন্ন শিল্পভিত্তিক উৎসে অঙ্কের পার্থক্য রয়েছে। তবে এটি যে উল্লেখযোগ্য দর্শক পেয়েছিল এবং প্রেক্ষাগৃহে বাণিজ্যিক সাড়া তৈরি করেছিল, সে বিষয়ে উৎসগুলো মোটামুটি একমত। তাই নির্দিষ্ট একটি অঙ্ককে চূড়ান্ত ধরে নেওয়ার বদলে চলচ্চিত্রটিকে বাণিজ্যিকভাবে সফল বলা অধিক নিরাপদ।

শেষ কথা

Tu Jhoothi Main Makkaar লাভ রঞ্জনের পরিচিত ধরনেরই একটি রোমান্টিক আয়োজন। প্রেম, বন্ধুত্ব, ভুল বোঝাবুঝি, দীর্ঘ সংলাপ, গান এবং পারিবারিক কৌতুক এখানে সবই আছে।

তবে সিনেমাটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি যৌথ পরিবারের ভালোবাসা এবং একজন নারীর ব্যক্তিগত পরিসরের মধ্যকার সংঘাতকে গল্পের কেন্দ্রে এনেছে। প্রশ্নটি বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ। সমাধানটি হয়তো পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ নয়, তবু প্রশ্নটি সামনে আনার মূল্য রয়েছে।

রণবীর কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুরের পর্দার উপস্থিতি, অনুভব সিং বাসির হাস্যরস, প্রীতমের সংগীত এবং শেষ ভাগের পারিবারিক কমেডি সিনেমাটিকে উপভোগ্য করেছে। আরও শক্তিশালী চিত্রনাট্য ও চরিত্রের গভীরতা থাকলে এটি শুধু বিনোদনমূলক নয়, স্মরণীয় রোমান্টিক কমেডিও হতে পারত।

পরিবার, প্রেম ও ব্যক্তিস্বাধীনতার গভীর সমাধান খুঁজলে সিনেমাটি অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। তবে গান, হাস্যরস ও তারকানির্ভর পারিবারিক বিনোদন হিসেবে একবার দেখা যেতে পারে।

মূল লেখকের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন

৬.৫/১০

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

১. Yash Raj Films. “Tu Jhoothi Main Makkaar.” চলচ্চিত্রের মুক্তির তারিখ, পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিবেশনা-সংক্রান্ত তথ্য। মূল পৃষ্ঠা দেখুন

২. Luv Films. “Tu Jhoothi Main Makkaar.” চলচ্চিত্রের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি, কাহিনির সারাংশ ও প্রধান অভিনয়শিল্পীদের তথ্য। মূল পৃষ্ঠা দেখুন

৩. Box Office India. “Tu Jhoothi Main Makkaar.” চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ভারতীয় বক্স অফিসের হিসাব। মূল পৃষ্ঠা দেখুন

৪. Bollywood Hungama. “Tu Jhoothi Main Makkaar Box Office Collection.” ভারত ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিকল্প শিল্পভিত্তিক বক্স অফিস হিসাব। মূল পৃষ্ঠা দেখুন

প্রথম প্রকাশ: দ্য ব্যাকস্পেস জার্নাল, ২৪ মে ২০২৩

গবেষণা, তথ্য যাচাই ও সম্পাদনা: অভিযাত্রী সম্পাদনা প্যানেল

সংস্করণ: ভাষা, তথ্য ও কাঠামো সংশোধিত পুনঃপ্রকাশ

কপিরাইট: অভিযাত্রী

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

পছন্দ পছন্দ 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
মজার মজার 0
রাগান্বিত রাগান্বিত 0
দুঃখজনক দুঃখজনক 0
চমৎকার চমৎকার 0
আল-মামুনুর রশিদ সাগর আমি মোঃ মামুনুর রশীদ সাগর, অভিযাত্রীর একজন লেখক। জীবনধারা, মানসিক সুস্থতা ও ক্রিকেট আমার লেখার প্রধান বিষয়। সহজ ও পাঠকবান্ধব ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য, পর্যবেক্ষণ এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করি।