ইসলামী সভ্যতার পাঁচ প্রভাবশালী জ্ঞানসাধক: বিজ্ঞানের ইতিহাসে তাঁদের অবদান
জাবির, আল-খোয়ারিজমি, ইবনে আল-হাইসাম, ইবনে সিনা ও আল-বাত্তানীর প্রকৃত বৈজ্ঞানিক অবদান ও প্রচলিত ভুল জানুন।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও সভ্যতা
ইসলামী সভ্যতার পাঁচ প্রভাবশালী জ্ঞানসাধক: বিজ্ঞানের ইতিহাসে তাঁদের অবদান
জাবির ইবনে হাইয়ান, আল-খোয়ারিজমি, ইবনে আল-হাইসাম, ইবনে সিনা ও আল-বাত্তানীর কাজ কীভাবে রসায়ন, গণিত, আলোকবিজ্ঞান, চিকিৎসা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিকাশে ভূমিকা রেখেছিল, আর তাঁদের নিয়ে প্রচলিত কোন দাবিগুলো ঐতিহাসিকভাবে অতিরঞ্জিত?
ইতিহাস শুধু ‘কে প্রথম’ তার তালিকা নয়
বৈজ্ঞানিক জ্ঞান কোনো এক ব্যক্তি, জাতি বা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিচ্ছিন্ন সৃষ্টি নয়। গ্রিক, ভারতীয়, পারস্যীয়, সিরীয়, মেসোপটেমীয় এবং আরবি ভাষাভিত্তিক নানা জ্ঞানধারা অনুবাদ, সমালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও সংশোধনের মধ্য দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। মধ্যযুগীয় ইসলামী বিশ্বের জ্ঞানসাধকেরা আগের জ্ঞান কেবল সংরক্ষণ করেননি; তাঁরা বহু ক্ষেত্রে নতুন প্রশ্ন, পদ্ধতি, গণনা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সেই জ্ঞানকে পরিবর্তন এবং সম্প্রসারিত করেছেন।
জনপ্রিয় লেখালেখিতে ঐতিহাসিক মনীষীদের প্রায়ই কোনো শাস্ত্রের একক “জনক”, “প্রথম আবিষ্কারক” বা “একমাত্র উদ্ভাবক” বলা হয়। এমন উপাধি তাঁদের গুরুত্ব বোঝাতে সাহায্য করলেও অনেক সময় জ্ঞানের দীর্ঘ ও সম্মিলিত বিকাশকে আড়াল করে। তাই এই নিবন্ধে পাঁচজন জ্ঞানসাধকের প্রকৃত অবদান তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁদের ঘিরে প্রচলিত অতিরঞ্জন এবং গবেষণাগত অনিশ্চয়তাও পৃথকভাবে দেখানো হয়েছে।
১
জাবির ইবনে হাইয়ানের নাম আরবি আলকেমি ও প্রাক-আধুনিক রাসায়নিক জ্ঞানচর্চার ইতিহাসে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহ্যগত জীবনীতে তাঁকে অষ্টম শতকের একজন আলকেমিবিদ, চিকিৎসক ও পদার্থ-গবেষক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে তাঁর জীবনের নির্ভুল সময়রেখা এবং তাঁর নামে প্রচলিত বিশাল রচনাসম্ভারের লেখকত্ব নিয়ে আধুনিক গবেষণায় দীর্ঘস্থায়ী মতভেদ রয়েছে।
জাবিরের নামে প্রচলিত বিপুলসংখ্যক আরবি রচনাকে সম্মিলিতভাবে Jabirian corpus বলা হয়। এসব রচনায় পদার্থের শ্রেণিবিন্যাস, ধাতুর বৈশিষ্ট্য ও পরিশোধন, সংকর ধাতু, পাতন, ভস্মীকরণ এবং পরীক্ষাগারভিত্তিক বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা পাওয়া যায়। তবে এই রচনাসম্ভারের বিষয়বস্তু শুধু ধাতুকে সোনায় রূপান্তরের প্রচেষ্টায় সীমাবদ্ধ ছিল না; এতে চিকিৎসা, ঔষধবিজ্ঞান, দর্শন, যুক্তি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, জ্যামিতি ও বিশ্বতত্ত্বও আলোচিত হয়েছে।
ফলে জাবিরকে আধুনিক রসায়নের একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা বা প্রতিটি রাসায়নিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক বলা যথাযথ নয়। অধিক নির্ভুলভাবে বলা যায়, তাঁর নামে গড়ে ওঠা জ্ঞানঐতিহ্য আরবি আলকেমি, পদার্থবিষয়ক শ্রেণিবিন্যাস এবং পরীক্ষাগার-প্রক্রিয়ার পদ্ধতিগত আলোচনার বিকাশে গভীর প্রভাব রেখেছিল।
২
মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খোয়ারিজমি নবম শতকে আব্বাসীয় বাগদাদের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশে কাজ করেছেন। তাঁর জন্ম আনুমানিক অষ্টম শতকের শেষভাগে বলে ধরে নেওয়া হলেও সুনির্দিষ্ট জন্মস্থান নিশ্চিত নয়। “আল-খোয়ারিজমি” নামটি তাঁর বা তাঁর পরিবারের খোয়ারিজম অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক নির্দেশ করতে পারে; কিন্তু শুধু নামের ভিত্তিতে সেখানে তাঁর জন্ম নিশ্চিত করা যায় না।
তাঁর সবচেয়ে প্রভাবশালী রচনাগুলোর একটি হলো الكتاب المختصر في حساب الجبر والمقابلة, যার শিরোনামের অর্থ প্রায় “পূর্ণকরণ ও সমতাকরণের মাধ্যমে গণনার সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ”। এতে রৈখিক ও দ্বিঘাত সমীকরণকে ছয়টি মৌলিক শ্রেণিতে সাজিয়ে পদ্ধতিগত সমাধান দেখানো হয়। বর্তমান প্রতীকনির্ভর বীজগণিতের বদলে তাঁর ব্যাখ্যা মূলত শব্দ ও জ্যামিতিক যুক্তিনির্ভর ছিল।
বীজগাণিতিক সমস্যা আল-খোয়ারিজমির আগেও ব্যাবিলনীয়, গ্রিক, ভারতীয় এবং অন্যান্য গণিতঐতিহ্যে ছিল। তাঁর বিশেষ কৃতিত্ব হলো বিভিন্ন ধরনের সমীকরণকে সাধারণ নিয়মের মধ্যে বিন্যস্ত করে বীজগণিতকে স্বতন্ত্র ও ব্যবহারিক আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করা। তাঁর গ্রন্থের al-jabr অংশ থেকে “algebra” এবং তাঁর নামের লাতিন রূপ থেকে “algorithm” শব্দের বিকাশ ঘটেছে।
ভারতীয় স্থান-মূল্যভিত্তিক সংখ্যা ও গণনাপদ্ধতি আরবি ভাষায় ব্যাখ্যা এবং পরে লাতিন জগতে প্রচারের ক্ষেত্রেও তাঁর নামে প্রচলিত গাণিতিক ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ভূগোলেও তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল।
৩
আবু আলি আল-হাসান ইবনে আল-হাইসাম আনুমানিক ৯৬৫ সালে বসরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কায়রোয় কাটান। গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক দর্শনে তাঁর কাজ ছিল বিস্তৃত। তাঁর সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্রন্থ كتاب المناظر বা Book of Optics।
প্রাচীন দৃষ্টিতত্ত্বে চোখ থেকে রশ্মি বেরিয়ে বস্তুর সঙ্গে যুক্ত হয়, নাকি দৃশ্যমান বস্তু থেকে আলো চোখে প্রবেশ করে, এ নিয়ে একাধিক ব্যাখ্যা ছিল। ইবনে আল-হাইসাম আলো, চোখ, দৃশ্যমান বস্তু এবং জ্যামিতিক রশ্মির সম্পর্ক নতুনভাবে বিশ্লেষণ করেন। তাঁর ব্যাখ্যায় আলোকিত বস্তু থেকে আলো চোখে আসে; চোখকে দৃষ্টিসৃষ্টিকারী আলোর উৎস হিসেবে ধরা হয় না।
তাঁর আলোচনার পরিধি শুধু আলোর সরলরৈখিক চলাচল, প্রতিফলন ও প্রতিসরণে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি দূরত্ব, অবস্থান, আকার, আকৃতি, গতি, রং এবং দৃষ্টিভ্রমের ক্ষেত্রে ইন্দ্রিয় ও মানসিক বিচারের ভূমিকাও বিশ্লেষণ করেন। ফলে তাঁর কাজ আলোকবিজ্ঞান ও দৃষ্টিবিজ্ঞানের পাশাপাশি প্রত্যক্ষণবিষয়ক আলোচনাতেও গুরুত্বপূর্ণ।
কখনো তাঁকে নিউটনের মাধ্যাকর্ষণতত্ত্বের প্রত্যক্ষ পূর্বসূরি হিসেবেও উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু তাঁর সবচেয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক অবদান মাধ্যাকর্ষণ নয়; বরং আলোকবিজ্ঞান, গাণিতিক বিশ্লেষণ, দৃষ্টিতত্ত্ব এবং প্রশ্নভিত্তিক পরীক্ষণ।
৪
আবু আলি আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সিনা আনুমানিক ৯৮০ সালে বুখারার কাছাকাছি আফশানায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১০৩৭ সালে হামাদানে মৃত্যুবরণ করেন। ইউরোপীয় ঐতিহ্যে তিনি Avicenna নামে পরিচিত। তিনি চিকিৎসক ও দার্শনিক হওয়ার পাশাপাশি যুক্তিবিদ্যা, প্রাকৃতিক দর্শন এবং অন্যান্য জ্ঞানক্ষেত্রে ব্যাপক লেখালেখি করেন।
তাঁর চিকিৎসাবিষয়ক সবচেয়ে প্রভাবশালী রচনা القانون في الطب বা The Canon of Medicine। পাঁচটি প্রধান বইয়ে বিন্যস্ত এই বিশ্বকোষে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাধারণ নীতি, স্বাস্থ্যরক্ষা, সাধারণ ও যৌগিক ওষুধ এবং শরীরের নির্দিষ্ট ও সামগ্রিক রোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গ্রন্থটি গ্রিক-রোমান, ইসলামি এবং অন্যান্য চিকিৎসা ঐতিহ্যের জ্ঞানকে একটি সুসংগঠিত কাঠামোয় উপস্থাপন করেছিল। দ্বাদশ শতকে এর লাতিন অনুবাদ ইউরোপে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ১৫০০ থেকে ১৬৭৪ সালের মধ্যে ইউরোপে এর সম্পূর্ণ বা আংশিক প্রায় ষাটটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল, যেগুলোর বড় অংশ চিকিৎসাশিক্ষায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
ইবনে সিনাকে আধুনিক চিকিৎসা বা শল্যচিকিৎসার একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা বলার বদলে বলা অধিক যথাযথ যে তিনি মধ্যযুগীয় চিকিৎসাজ্ঞানকে সংগঠিত, বিশ্লেষণ এবং শিক্ষার উপযোগী কাঠামোয় রূপ দিয়েছিলেন। ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর আলোচিত নিয়মগুলোও চিকিৎসা-ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য।
৫
আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে জাবির ইবনে সিনান আল-বাত্তানী আনুমানিক নবম শতকের মাঝামাঝি সময়ে হাররান অঞ্চলের কাছে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯২৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। পুরোনো জনপ্রিয় বর্ণনায় তাঁকে কখনো “জাবির ইবনে সিনান আল-বাত্তানী” বলে সংক্ষিপ্ত করা হয়; কিন্তু এতে তাঁর পূর্ণ নাম ও পরিচয় অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
আল-বাত্তানী সিরিয়ার আর-রাক্কায় কয়েক দশক ধরে সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, গ্রহণ এবং ঋতুগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সৌরবর্ষের দৈর্ঘ্য, ঋতুর স্থায়িত্ব, বিষুববিন্দুর অয়নচলন, ক্রান্তিবৃত্তের হেলন এবং সূর্যের অপভূসংক্রান্ত আগের কিছু গাণিতিক মান পরিমার্জন করেন।
তাঁর সৌরবর্ষের পরিমাপ ছিল ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। এটি তাঁর সময়ের জন্য অত্যন্ত নিখুঁত একটি পর্যবেক্ষণনির্ভর মান। তবে আধুনিক tropical year-এর সঙ্গে পার্থক্য নির্ধারণের সময় কোন যুগের এবং কোন সংজ্ঞার সৌরবর্ষের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, তা উল্লেখ করা প্রয়োজন। পুরোনো নিবন্ধে দেওয়া “২৭ মিনিটের পার্থক্য” সঠিক ছিল না।
আল-বাত্তানী জ্যামিতিক পদ্ধতির পাশাপাশি sine ও tangent-ভিত্তিক ত্রিকোণমিতিক হিসাব ব্যবহার করে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধান করেন। তবে ত্রিকোণমিতি তাঁর একক আবিষ্কার ছিল না; ভারতীয়, গ্রিক ও ইসলামী বিশ্বের বহু গণিতবিদের ধারাবাহিক অবদানের মধ্যে তাঁর কাজকে দেখতে হবে।
তাঁর প্রধান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ ও সারণি পরে লাতিন ও অন্যান্য ভাষায় প্রচারিত হয়। মধ্যযুগ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানীর কাছে তাঁর পর্যবেক্ষণ ও গণনা গুরুত্বপূর্ণ reference হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
১. বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সম্মিলিত: একজন জ্ঞানসাধকের কাজ সাধারণত আগের বহু ভাষা, অঞ্চল ও চিন্তাধারার জ্ঞানভিত্তির ওপর গড়ে ওঠে।
২. অনুবাদ মানেই শুধু সংরক্ষণ নয়: অনুবাদের সঙ্গে বিশ্লেষণ, সমালোচনা, পরীক্ষা, সংশোধন ও নতুন প্রয়োগ যুক্ত হলে জ্ঞান নতুন রূপ লাভ করে।
৩. সম্মানসূচক উপাধি সতর্কভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন: “জনক”, “প্রথম” ও “একমাত্র আবিষ্কারক” ধরনের শব্দ কোনো ব্যক্তির গুরুত্ব বোঝালেও জ্ঞানের দীর্ঘ ও সম্মিলিত ইতিহাসকে অতিরিক্ত সরল করে ফেলতে পারে।
৪. অনিশ্চয়তা স্বীকার করা গবেষণার দুর্বলতা নয়: জন্মসাল, লেখকত্ব বা নির্দিষ্ট অবদানের প্রমাণ নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ থাকলে সেই অনিশ্চয়তা স্পষ্ট করাই গবেষণাসৎ অবস্থান।
জাবিরীয় রচনাসম্ভার পদার্থ ও পরীক্ষাগারপ্রক্রিয়ার পদ্ধতিগত আলোচনাকে সমৃদ্ধ করেছে। আল-খোয়ারিজমি বীজগণিতকে সুবিন্যস্ত করেছেন। ইবনে আল-হাইসাম আলো ও দৃষ্টির ব্যাখ্যায় পর্যবেক্ষণ, গণিত ও পরীক্ষাকে যুক্ত করেছেন। ইবনে সিনা চিকিৎসাজ্ঞানকে বিস্তৃত বিশ্বকোষে সাজিয়েছেন। আল-বাত্তানী দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও গণনার মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বহু মান সংশোধন করেছেন।
তাঁদের সম্মান করতে অতিরঞ্জিত কিংবদন্তির প্রয়োজন নেই। বরং তাঁদের কাজকে নিজস্ব সময়, সীমাবদ্ধতা, পূর্ববর্তী জ্ঞানঐতিহ্য এবং পরবর্তী প্রভাবের সঙ্গে বুঝলেই তাঁদের প্রকৃত গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত লেখার বিষয় এবং পাঁচ ব্যক্তির কাঠামো সংরক্ষণ করে নতুন গবেষণা, তথ্য যাচাই এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে পুনর্গঠিত হয়েছে। জনপ্রিয় কিন্তু অসমর্থিত “প্রথম”, “একমাত্র আবিষ্কারক” ও “জনক” দাবি সীমিত বা সংশোধন করা হয়েছে। গবেষণাগত মতভেদ যেখানে রয়েছে, সেখানে একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে অনিশ্চয়তা স্পষ্ট করা হয়েছে।
Haq, Syed Numanul. “Alchemical Manuscripts: The Specific Case of Corpus Jabirianum.” Al-Furqan Islamic Heritage Foundation, 2011. মূল গবেষণা-আলোচনা
O’Connor, J. J., and E. F. Robertson. “Al-Khwarizmi.” MacTutor History of Mathematics Archive, University of St Andrews. জীবনী ও গাণিতিক অবদান
Ansari, Shaikh Mohammad Razaullah. “Ibn al-Haytham’s Scientific Method.” The UNESCO Courier, 14 May 2018, updated 20 April 2023. মূল নিবন্ধ
Sabra, A. I. The Optics of Ibn al-Haytham, Books I–III: On Direct Vision. London: The Warburg Institute, University of London, 1989.
National Library of Medicine. “Kitāb al-Qānūn fī al-Ṭibb: The Canon of Medicine.” Islamic Medical Manuscripts Catalogue. পাণ্ডুলিপি ও গ্রন্থপরিচয়
Nasser, Mona, Aida Tibi, and Emilie Savage-Smith. “Ibn Sina’s Canon of Medicine: 11th Century Rules for Assessing the Effects of Drugs.” Journal of the Royal Society of Medicine, vol. 102, no. 2, 2009, pp. 78–80. DOI: https://doi.org/10.1258/jrsm.2008.08k04010.1258/jrsm.2008.08k040
O’Connor, J. J., and E. F. Robertson. “Al-Battani.” MacTutor History of Mathematics Archive, University of St Andrews. জীবনী ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবদান
জাবির ইবনে হাইয়ান: ব্যক্তি, ঐতিহ্য ও জাবিরীয় রচনাসম্ভার
আল-খোয়ারিজমি: বীজগণিতকে নিয়মতান্ত্রিক রূপ দেওয়ার কারিগর
ইবনে আল-হাইসাম: আলো, দৃষ্টি ও পরীক্ষার নতুন ভাষা
ইবনে সিনা: চিকিৎসাজ্ঞানকে সুবিন্যস্ত করার অসাধারণ প্রয়াস
আল-বাত্তানী: পর্যবেক্ষণ, সৌরবর্ষ ও গাণিতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান
পাঁচজনের কাজ থেকে আমরা কী বুঝতে পারি?
শেষ কথা
সম্পাদকীয় নোট
তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
পছন্দ
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
মজার
0
রাগান্বিত
0
দুঃখজনক
0
চমৎকার
0