প্যারিস ও আশপাশের কোন পাঁচটি দর্শনীয় স্থান দিয়ে ভ্রমণ শুরু করবেন?

আইফেল টাওয়ার, ল্যুভর, ভার্সাই, লুক্সেমবার্গ উদ্যান ও আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফসহ প্যারিস ও আশপাশের পাঁচ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানুন।

প্রকাশিত:
হালনাগাদ:
 ০  ১
প্যারিস ও আশপাশের কোন পাঁচটি দর্শনীয় স্থান দিয়ে ভ্রমণ শুরু করবেন?
নীল আকাশের নিচে সবুজ শঁ দ্য মার্স উদ্যানের মাঝখানে পূর্ণাঙ্গ আইফেল টাওয়ারের দৃশ্য।

ভ্রমণ | ফ্রান্স

প্যারিস ও আশপাশের কোন পাঁচটি দর্শনীয় স্থান দিয়ে ভ্রমণ শুরু করবেন?

আইফেল টাওয়ারের প্রকৌশল, ল্যুভরের শিল্পভান্ডার, ভার্সাইয়ের রাজকীয় ইতিহাস, লুক্সেমবার্গ উদ্যানের প্রশান্তি এবং আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফের জাতীয় স্মৃতি মিলিয়ে প্যারিস ভ্রমণের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস এমন একটি শহর, যেখানে ইতিহাস, শিল্প, স্থাপত্য ও নাগরিক জীবন পাশাপাশি বিকশিত হয়েছে। সেইন নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরের পরিচয় শুধু আইফেল টাওয়ারে সীমাবদ্ধ নয়। এর জাদুঘর, প্রাসাদ, উদ্যান, রাজপথ ও স্মৃতিস্তম্ভের সঙ্গে ফ্রান্সের কয়েক শতাব্দীর ইতিহাস জড়িয়ে আছে।

প্যারিস প্রশাসনিকভাবে ২০টি arrondissement বা নগর জেলায় বিভক্ত। এগুলোকে উপশহর বলা ঠিক নয়। প্রতিটি এলাকার স্থাপত্য, জীবনযাত্রা ও ঐতিহাসিক পরিচয় আলাদা। ফলে শহরটি ঘুরে দেখার সময় শুধু বিখ্যাত স্থাপনাই নয়, আশপাশের পরিবেশও মনোযোগ দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নির্বাচন সম্পর্কে: এটি প্যারিসের দর্শনীয় স্থানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা সরকারি ক্রমতালিকা নয়। প্রথমবারের ভ্রমণকারীর জন্য প্যারিস ও কাছাকাছি এলাকার পাঁচটি প্রতিনিধিত্বশীল স্থান এখানে নির্বাচন করা হয়েছে।

১. আইফেল টাওয়ার

প্যারিসের সবচেয়ে পরিচিত প্রতীকগুলোর একটি আইফেল টাওয়ার। ১৮৮৯ সালের প্যারিস বিশ্বমেলা এবং ফরাসি বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে এটি নির্মিত হয়েছিল। টাওয়ারটি Gustave Eiffel-এর নামে পরিচিত হলেও এর নকশা ও প্রকৌশলের সঙ্গে Maurice Koechlin, Émile Nouguier এবং স্থপতি Stephen Sauvestre-ও যুক্ত ছিলেন। তাই শুধু Gustave Eiffel একাই এর নকশা করেছিলেন বলা ঐতিহাসিকভাবে অসম্পূর্ণ।

১৮৮৭ সালের ২৬ জানুয়ারি নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ১৮৮৯ সালের ৩১ মার্চ তা সম্পন্ন হয়। প্রায় ৩০০ মিটার উঁচু মূল কাঠামোটি নির্মাণে ১৮ হাজারের বেশি ধাতব অংশ এবং প্রায় ২৫ লাখ রিভেট ব্যবহৃত হয়েছিল। তৎকালীন সময়ের জন্য এটি ছিল একটি অসাধারণ প্রকৌশল অর্জন।

দর্শনার্থীরা টাওয়ারটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলা এবং চূড়ার পর্যবেক্ষণস্থলে যেতে পারেন। প্রথম তলায় প্রদর্শনী ও কাচের মেঝে রয়েছে। দ্বিতীয় তলা থেকে প্যারিসের ভবন, সড়ক ও নদীর দৃশ্য তুলনামূলক বিস্তারিতভাবে দেখা যায়। চূড়ায় পৌঁছাতে সাধারণত দ্বিতীয় তলা থেকে আলাদা লিফট ব্যবহার করতে হয়।

রাতে টাওয়ারের সোনালি আলোর সঙ্গে ঝলমলে আলোকসজ্জা প্যারিসের অন্যতম পরিচিত দৃশ্য। সাধারণত সন্ধ্যার পর নির্ধারিত সময়ে এই ঝলমলে আলো পাঁচ মিনিট স্থায়ী হয়। তবে আলোকসজ্জা ও প্রবেশের সময় পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত, ঋতু ও আবহাওয়ার কারণে পরিবর্তিত হতে পারে।

ভ্রমণ পরামর্শ: টিকিটের ধরন, প্রবেশের সময় এবং চূড়ায় যাওয়ার সুযোগ পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণের আগে সরকারি ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে সময় নির্ধারিত টিকিট সংগ্রহ করা ভালো।

২. ল্যুভর জাদুঘর

ল্যুভর শুধু একটি বিখ্যাত জাদুঘর নয়, এটি ফ্রান্সের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসেরও অংশ। এর সূচনা মধ্যযুগীয় দুর্গ হিসেবে। পরে এটি রাজকীয় বাসভবনে পরিণত হয় এবং ১৭৯৩ সালে জাদুঘর হিসেবে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

ল্যুভরের সংগ্রহে প্রাচীন সভ্যতা থেকে উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত শিল্পকর্ম ও প্রত্নবস্তু রয়েছে। এর অনলাইন সংগ্রহশালায় পাঁচ লাখের বেশি শিল্পকর্ম ও নিদর্শনের নথি রয়েছে। তবে নথিভুক্ত সব শিল্পকর্ম একই সময়ে জাদুঘরের প্রদর্শনীকক্ষে থাকে না। কিছু নিদর্শন সংরক্ষণাগারে, গবেষণাধীন অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি প্রদর্শনে থাকতে পারে।

জাদুঘরটির পরিচিত শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে Leonardo da Vinci-এর Mona Lisa, প্রাচীন গ্রিক ভাস্কর্য Venus de Milo এবং Winged Victory of Samothrace। এছাড়া মিশরীয় পুরাকীর্তি, গ্রিক ও রোমান শিল্প, ইসলামি শিল্প, চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য এবং আলংকারিক শিল্পের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে।

জাদুঘরটি Denon, Richelieu ও Sully নামের তিনটি প্রধান শাখায় বিন্যস্ত। এর বিশালতার কারণে এক দিনে সম্পূর্ণ জাদুঘর দেখা বাস্তবসম্মত নয়। প্রথমবার গেলে আগে থেকেই নির্দিষ্ট কয়েকটি বিভাগ বা শিল্পকর্ম নির্বাচন করা ভালো।

ভ্রমণ পরামর্শ: ল্যুভর সাধারণত মঙ্গলবার বন্ধ থাকে। সরকারি ছুটি, বিশেষ আয়োজন, নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি বা রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সময়সূচি ও খোলা প্রদর্শনীকক্ষের তালিকা বদলাতে পারে। তাই আগে সরকারি ওয়েবসাইট দেখে নেওয়া উচিত।

৩. ভার্সাই প্রাসাদ

ভার্সাই প্রাসাদ প্যারিস নগরীর ভেতরে নয়। এটি প্যারিসের পশ্চিমে Versailles শহরে অবস্থিত। তবে প্যারিস থেকে দিনের ভ্রমণে যাওয়ার জন্য এটি সবচেয়ে পরিচিত ঐতিহাসিক গন্তব্যগুলোর একটি। ফরাসি রাজতন্ত্র, রাজদরবার এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসাদটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

Versailles-এ Louis XIII প্রথমে একটি ছোট শিকারনিবাস তৈরি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে Louis XIV সেটিকে সম্প্রসারণ করে বিশাল প্রাসাদ ও রাজকীয় ক্ষমতার কেন্দ্রে রূপ দেন। Louis XV ও Louis XVI-এর সময়েও প্রাসাদটির বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত ও সম্প্রসারিত হয়। ফলে ভার্সাইকে শুধু Louis XVI-এর শাসনামলের স্থাপনা বলা সঠিক নয়।

প্রাসাদের সবচেয়ে পরিচিত অংশগুলোর একটি হলো Hall of Mirrors। দীর্ঘ এই কক্ষের আয়না, জানালা, ছাদচিত্র ও সোনালি অলংকরণ রাজকীয় জাঁকজমকের চিত্র তুলে ধরে। রাজা ও রানির কক্ষ, রাজকীয় চ্যাপেল এবং অপেরা ভবনও দর্শনার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Versailles Estate-এর মধ্যে মূল প্রাসাদ ছাড়াও Gardens, Park, Grand Trianon, Petit Trianon এবং Marie Antoinette-এর সঙ্গে সম্পর্কিত Queen’s Hamlet রয়েছে। একটি টিকিটে সব অংশ দেখা যাবে কি না, তা টিকিটের ধরন ও দিনের আয়োজনের ওপর নির্ভর করে।

বাগানটি জ্যামিতিক বিন্যাস, ভাস্কর্য, ফোয়ারা, জলাধার ও দীর্ঘ বৃক্ষসজ্জিত পথের জন্য পরিচিত। বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান বা ফোয়ারা প্রদর্শনীর দিনে বাগানের প্রবেশব্যবস্থা ও টিকিটের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

ভ্রমণ পরামর্শ: প্রাসাদ সাধারণত সোমবার বন্ধ থাকে। প্রাসাদ, উদ্যান, পার্ক ও Trianon Estate-এর সময়সূচি এক নয়। জাল বা অননুমোদিত টিকিট এড়াতে সরকারি টিকিট ব্যবস্থা ব্যবহার করা নিরাপদ।

৪. লুক্সেমবার্গ উদ্যান

প্যারিসের Seine নদীর বাম তীরে ঐতিহাসিক Latin Quarter-এর কাছাকাছি অবস্থিত Jardin du Luxembourg বা লুক্সেমবার্গ উদ্যান। শিক্ষা, বইয়ের দোকান ও ক্যাফের জন্য পরিচিত Latin Quarter ঘুরে দেখার সঙ্গে এই উদ্যানের ভ্রমণ সহজেই মিলিয়ে নেওয়া যায়।

প্রায় ২৫ হেক্টর আয়তনের উদ্যানটিতে ফরাসি ও ইংরেজি বাগানের বিন্যাস, প্রায় তিন হাজার গাছ, ফুলের বাগান, ফলের বাগান, অর্কিড সংগ্রহ এবং বিখ্যাত Medici Fountain রয়েছে। পুরো উদ্যানে শতাধিক ভাস্কর্য ও স্মৃতিচিহ্ন ছড়িয়ে আছে।

Marie de Médicis সপ্তদশ শতকের শুরুতে বর্তমান উদ্যানের জমি অধিগ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তী কয়েক শতকে এর আয়তন ও বিন্যাস বহুবার পরিবর্তিত হয়। বর্তমানে উদ্যানটি ফরাসি Senate-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

এখানে হাঁটা, বিশ্রাম, দাবা খেলা, শিশুদের বিনোদন এবং মৌসুমি সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করা যায়। কেন্দ্রীয় জলাধারের চারপাশে বসে উদ্যান ও Luxembourg Palace দেখা প্যারিসের ব্যস্ততার মধ্যে একটি শান্ত অভিজ্ঞতা তৈরি করে। সাধারণভাবে উদ্যানে প্রবেশের জন্য টিকিট লাগে না। তবে ভেতরের কোনো স্বতন্ত্র প্রদর্শনী বা কার্যক্রমের জন্য আলাদা নিয়ম থাকতে পারে।

ভ্রমণ পরামর্শ: উদ্যানের প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় ঋতু এবং দিনের আলোর দৈর্ঘ্য অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। ভ্রমণের দিন সরকারি সময়সূচি দেখে নেওয়া ভালো।

৫. আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফ

Avenue des Champs-Élysées-এর পশ্চিম প্রান্তে Place Charles de Gaulle-এর কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে Arc de Triomphe। Champs-Élysées প্যারিসের পরিচিত রাজপথগুলোর একটি। এটি Place de la Concorde থেকে আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফের দিকে বিস্তৃত এবং জাতীয় অনুষ্ঠান, সামরিক কুচকাওয়াজ, কেনাকাটা ও নগরজীবনের সঙ্গে যুক্ত।

Napoleon Bonaparte ফরাসি সেনাবাহিনীর বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। খিলানের দেয়ালে ফরাসি সামরিক ইতিহাসের বিভিন্ন যুদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট সামরিক ব্যক্তির নাম খোদাই করা রয়েছে। এর ভাস্কর্যগুলো যুদ্ধ, বিজয় ও জাতীয় পরিচয়ের বিভিন্ন প্রতীক বহন করে।

আর্কের নিচে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত এক অজ্ঞাত ফরাসি সৈনিকের সমাধি রয়েছে। ১৯২০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে স্থানটি অজ্ঞাত সৈনিকের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত। পরবর্তী সময়ে সেখানে স্মরণশিখা প্রজ্বালিত করা হয়, যা নিয়মিত আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে পুনরায় জ্বালানো হয়।

স্মৃতিস্তম্ভের ছাদে উঠে প্যারিসের ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্য দেখা যায়। এখান থেকে Champs-Élysées, La Défense এবং Place Charles de Gaulle থেকে তারকার মতো ছড়িয়ে যাওয়া সড়কগুলো স্পষ্ট হয়। গোলচত্বরটির ব্যস্ত সড়ক সরাসরি পার না হয়ে নির্ধারিত ভূগর্ভস্থ পথ ব্যবহার করা উচিত।

ভ্রমণ পরামর্শ: স্মৃতিস্তম্ভের অভ্যন্তর ও ছাদে প্রবেশের জন্য সাধারণত টিকিট প্রয়োজন। অজ্ঞাত সৈনিকের সমাধিস্থলে প্রবেশ বিনামূল্যে। সরকারি অনুষ্ঠান, প্রতিকূল আবহাওয়া বা নিরাপত্তাজনিত কারণে স্মৃতিস্তম্ভ আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকতে পারে।

ভ্রমণের আগে পাঁচটি প্রস্তুতি

১. জনপ্রিয় স্থানের টিকিট সরকারি ওয়েবসাইট থেকে আগেই সংগ্রহ করুন।

২. একই দিনে অতিরিক্ত স্থান না রেখে অবস্থান ও যাতায়াতের সময় বিবেচনা করুন।

৩. জাদুঘর ও প্রাসাদের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন যাচাই করুন।

৪. প্রবেশমূল্য ও সময়সূচিকে পরিবর্তনশীল তথ্য ধরে পরিকল্পনা করুন।

৫. Versailles প্যারিসের বাইরে হওয়ায় যাতায়াতসহ বাড়তি সময় রাখুন।

পরিশেষ

প্যারিসকে শুধু প্রেমের শহর হিসেবে দেখলে এর পূর্ণ পরিচয় বোঝা যায় না। আইফেল টাওয়ার আধুনিক প্রকৌশলের স্মারক, ল্যুভর মানবসভ্যতার শিল্পভান্ডার, ভার্সাই রাজতন্ত্র ও ক্ষমতার ইতিহাসের সাক্ষী, লুক্সেমবার্গ উদ্যান নাগরিক অবসর ও প্রকৃতির পরিসর এবং আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফ ফরাসি জাতীয় স্মৃতির প্রতীক।

এই পাঁচটি স্থান ভ্রমণের মধ্য দিয়ে একজন দর্শনার্থী প্যারিস ও তার আশপাশের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ইতিহাস, শিল্প, রাজনীতি ও নাগরিক সংস্কৃতিরও একটি অর্থপূর্ণ পরিচয় পেতে পারেন।

সম্পাদকীয় নোট: এই নিবন্ধের মূল সংস্করণ Abdullah Al Masud-এর নামে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে দ্য ব্যাকস্পেস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। লেখকের মূল বিষয় ও সহজ বর্ণনাভঙ্গি সংরক্ষণ করে বর্তমান সংস্করণের তথ্য যাচাই, ভুল ও স্থানচ্যুত অনুচ্ছেদ সংশোধন এবং কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস করেছে অভিযাত্রী সম্পাদনা প্যানেল। মূল লেখকের স্বীকৃতি অক্ষুণ্ণ রেখে উদ্ধারকৃত ও হালনাগাদকৃত এই সংস্করণের একচেটিয়া প্রকাশনা ও কপিরাইট অধিকার অভিযাত্রী কর্তৃক সংরক্ষিত।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

১. Eiffel Tower Official Website. “Eiffel Tower History, Architecture, Design and Construction.” La Société d’Exploitation de la Tour Eiffel. মূল নথি দেখুন প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

২. Musée du Louvre. “Official Website” এবং “Louvre Collections.” জাদুঘরের সরকারি ওয়েবসাইট এবং অনলাইন সংগ্রহশালা প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

৩. Château de Versailles. “History.” Établissement public du château, du musée et du domaine national de Versailles. ইতিহাস দেখুন এবং সরকারি ভ্রমণতথ্য প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

৪. Sénat de France. “Luxembourg Garden.” Jardin du Luxembourg. মূল উৎস দেখুন প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

৫. Centre des monuments nationaux. “Arc de Triomphe” এবং “The Unknown Soldier.” স্মৃতিস্তম্ভের সরকারি ওয়েবসাইট এবং অজ্ঞাত সৈনিকের ইতিহাস প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

৬. Paris je t’aime. Official Paris Tourist Office. সরকারি পর্যটন নির্দেশিকা দেখুন প্রবেশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

পছন্দ পছন্দ 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
মজার মজার 0
রাগান্বিত রাগান্বিত 0
দুঃখজনক দুঃখজনক 0
চমৎকার চমৎকার 0
আবদুল্লাহ আল মাসুদ আমি আবদুল্লাহ আল মাসুদ। ইতিহাস, বিজ্ঞান, সাহিত্য, প্রযুক্তি, পরিবেশ, শিক্ষা ও সমকালীন বিশ্বের নানা বিষয় নিয়ে লিখতে ভালোবাসি। একসময় চাকরির বিজ্ঞপ্তি, প্রশিক্ষণ, ফেলোশিপ ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক সুযোগ নিয়েও নিয়মিত লিখেছি। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে তা সাধারণ পাঠকের কাছে সহজ, সাবলীল ও আগ্রহজাগানিয়া ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন কিছু জানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই আমার লেখালেখির অন্যতম প্রেরণা।