সাফ কী? দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের ইতিহাস, সদস্য ও প্রতিযোগিতা

সাফ কী, এর সদস্য কারা এবং কোন কোন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে? জানুন সাফের ইতিহাস, পুরুষ ও নারী চ্যাম্পিয়নশিপ এবং বাংলাদেশের সাফল্য।

প্রকাশিত:
হালনাগাদ:
 ০  ৩
সাফ কী? দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের ইতিহাস, সদস্য ও প্রতিযোগিতা
সূর্যাস্তের আলোয় ফুটবল স্টেডিয়ামের সবুজ মাঠে রাখা একটি ফুটবল, পেছনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পতাকা ও অঞ্চলের প্রতীকী মানচিত্র।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল

সাফ কী? দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের ইতিহাস, সদস্য ও প্রতিযোগিতা

সাফ শুধু একটি আঞ্চলিক ফুটবল প্রতিযোগিতার নাম নয়। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের ফুটবল সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি সংগঠন, যা পুরুষ, নারী ও বয়সভিত্তিক ফুটবলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।

সম্পাদকীয় নোট: নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ৭ আগস্ট ২০২২। বর্তমান সংস্করণে পুরোনো ও পরিবর্তনশীল তথ্য যাচাই করে ১২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়েছে।

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা FIFA। এর পাশাপাশি বিভিন্ন মহাদেশ ও অঞ্চলে একাধিক ফুটবল সংস্থা নিজ নিজ এলাকার প্রতিযোগিতা, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

দক্ষিণ এশিয়ায় এই আঞ্চলিক দায়িত্ব পালন করে South Asian Football Federation, সংক্ষেপে SAFF। বাংলায় এটি দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন নামে পরিচিত।

সংক্ষেপে সাফ

পূর্ণ নাম: South Asian Football Federation

বাংলা নাম: দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন

সংক্ষিপ্ত নাম: SAFF

বর্তমান সদস্য: সাতটি দেশ

সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ

সাফ কী?

সাফ দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ফুটবল সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা আয়োজন, নারী ও বয়সভিত্তিক ফুটবলের বিস্তার এবং খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এর প্রধান উদ্দেশ্য।

সংস্থাটির মূলমন্ত্র “Unity in Strength”, যার বাংলা অর্থ “একতাই শক্তি”। সাফের সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।

সাফের বর্তমান সদস্য দেশ

বর্তমানে সাতটি জাতীয় ফুটবল সংস্থা সাফের সদস্য:

১. বাংলাদেশ

২. ভুটান

৩. ভারত

৪. মালদ্বীপ

৫. নেপাল

৬. পাকিস্তান

৭. শ্রীলঙ্কা

আফগানিস্তান একসময় সাফের সদস্য ছিল। পরবর্তী সময়ে দেশটি মধ্য এশিয়ার আঞ্চলিক ফুটবল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে সাফের সদস্য নয়।

সাফের ইতিহাস

সাফের আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক যাত্রা ১৯৯৭ সালে শুরু হয়। তবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান পুরুষ ফুটবল প্রতিযোগিতার ইতিহাস আরও পুরোনো। ১৯৯৩ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত SAARC Gold Cup থেকে বর্তমান সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা শুরু।

১৯৯৫ সালে প্রতিযোগিতাটি South Asian Gold Cup নামে আয়োজিত হয়। পরবর্তী সময়ে এটি SAFF Gold Cup এবং পরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নাম গ্রহণ করে।

মনে রাখা প্রয়োজন: সাফের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠা এবং সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পূর্বসূরি প্রতিযোগিতার সূচনা একই বছর নয়। সংগঠনটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা ১৯৯৩ সালের সার্ক গোল্ড কাপ পর্যন্ত বিস্তৃত।

সাফ কোন কোন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে?

সাফের প্রতিযোগিতার পরিসর সময়ের সঙ্গে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে পুরুষ ও নারী ফুটবলের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাও এর কার্যক্রমের অংশ। কোনো কোনো প্রতিযোগিতার বয়সসীমা ও নাম বিভিন্ন আসরে পরিবর্তিত হতে পারে।

পুরুষদের প্রতিযোগিতা

১. সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

২. সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

৩. সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ

৪. সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ

৫. সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ

নারীদের প্রতিযোগিতা

১. সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

২. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

৩. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ

৪. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপ

৫. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ

৬. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ

৭. সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ

সাফ নারী ক্লাব প্রতিযোগিতার আয়োজনও শুরু করেছে। তবে প্রতিটি প্রতিযোগিতা প্রতিবছর একই নাম, বয়সসীমা বা বিন্যাসে অনুষ্ঠিত হবে, এমন নয়। সাফের প্রতিযোগিতা সূচি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুলো পরিবর্তিত হতে পারে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দক্ষিণ এশিয়ার পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলগুলোর প্রধান আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা। বিজয়ী দল দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়নের মর্যাদা লাভ করে।

প্রতিযোগিতাটি সাধারণত নির্দিষ্ট বিরতিতে আয়োজন করা হলেও সব আসর নিয়মিত দুই বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়নি। আয়োজক নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক সূচি, প্রশাসনিক জটিলতা এবং কোভিড-১৯ মহামারির মতো কারণে বিভিন্ন সময়ে সূচিতে পরিবর্তন এসেছে।

২০২১ সালের ফাইনালে ভারত নেপালকে ৩–০ গোলে পরাজিত করে। এরপর ২০২৩ সালে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত কুয়েতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে আবার শিরোপা জয় করে। এটি ছিল ভারতের নবম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা।

বাংলাদেশের পুরুষ দলের সাফল্য

বাংলাদেশ ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করে। এটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পুরুষ জাতীয় দলের একমাত্র সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা।

২০২৬ সালের পুরুষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশে আয়োজনের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। নিবন্ধটি হালনাগাদের সময়, ১২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত, প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে এর ফলাফল বা চ্যাম্পিয়ন সম্পর্কে কোনো দাবি করা যাচ্ছে না।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ দক্ষিণ এশিয়ার নারী জাতীয় ফুটবল দলগুলোর প্রধান আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা। ২০১০ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।

প্রথম পাঁচ আসরে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০২২ সালে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল নেপালকে ৩–১ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয় করে। এই বিজয়ের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় ভারতের দীর্ঘ একচ্ছত্র আধিপত্যের অবসান ঘটে।

বাংলাদেশ ২০২৪ সালের ফাইনালেও স্বাগতিক নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন হয়।

২০২৬ সালের ফাইনালে ভারত বাংলাদেশকে ৩–১ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে। সাম্প্রতিক আসরগুলো দেখিয়েছে, নারী ফুটবলে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

বয়সভিত্তিক সাফ প্রতিযোগিতা

ভবিষ্যৎ জাতীয় দলের খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দিতে সাফ বিভিন্ন বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করে। এসব টুর্নামেন্ট কখনো অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৮, অনূর্ধ্ব-১৯ বা অনূর্ধ্ব-২০ নামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য:

১. তরুণ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা দেওয়া।

২. ভবিষ্যৎ জাতীয় দলের খেলোয়াড় তৈরি করা।

৩. সদস্য দেশগুলোর বয়সভিত্তিক ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী করা।

৪. নারী ও কিশোরী ফুটবলারদের অংশগ্রহণ বাড়ানো।

৫. দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

২০২২ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

২০২২ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ লিগ পর্বে শ্রীলঙ্কা, ভারত ও মালদ্বীপকে পরাজিত করে এবং নেপালের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালে ওঠে।

ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক ভারত। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ম্যাচটি ২–২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়ে ভারত আরও তিনটি গোল করে ৫–২ ব্যবধানে জয় পায়।

ফাইনালের ফল বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক হলেও লিগ পর্বে দলটির ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং ফাইনালে ওঠা দেশের বয়সভিত্তিক ফুটবলের সম্ভাবনা তুলে ধরেছিল।

২০২৬ সালে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ শিরোপা

২০২২ সালের ফাইনালের হতাশার চার বছর পর বাংলাদেশ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয় করে।

২০২৬ সালের প্রতিযোগিতার ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারতের নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে বাংলাদেশ ৪–৩ ব্যবধানে ভারতকে পরাজিত করে। মালদ্বীপের মালেতে অনুষ্ঠিত এই জয় বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক ফুটবলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সাফের গুরুত্ব

বিশ্ব ফুটবলের শক্তির বিচারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এখনো পিছিয়ে। অবকাঠামো, ঘরোয়া লিগের মান, প্রশিক্ষণ, তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই, বয়সভিত্তিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

এই বাস্তবতায় সাফের প্রতিযোগিতাগুলো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে:

১. কাছাকাছি সামর্থ্যের দলগুলোর মধ্যে নিয়মিত প্রতিযোগিতা।

২. তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা।

৩. নারী ফুটবলের বিস্তার ও দৃশ্যমানতা।

৪. আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও দর্শকের আগ্রহ বৃদ্ধি।

৫. সদস্য সংস্থাগুলোর মধ্যে কারিগরি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা।

৬. বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ।

তবে শুধু প্রতিযোগিতা আয়োজন করলেই দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর সঙ্গে স্বচ্ছ প্রশাসন, শক্তিশালী ঘরোয়া লিগ, প্রশিক্ষিত কোচ, বিজ্ঞানসম্মত খেলোয়াড় উন্নয়ন, নারী ও বয়সভিত্তিক ফুটবলে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

শেষ কথা

সাফ দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল দেশগুলোর মিলিত আঞ্চলিক সংগঠন। এর প্রধান প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হলেও বর্তমানে পুরুষ, নারী, বয়সভিত্তিক এবং ক্লাব পর্যায়ের বিভিন্ন আয়োজনও এর কার্যক্রমের অংশ।

বাংলাদেশের পুরুষ জাতীয় দল ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, নারী দল ২০২২ ও ২০২৪ সালে টানা দুটি শিরোপা জিতেছে এবং পুরুষ অনূর্ধ্ব-২০ দল ২০২৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এসব অর্জনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে শক্তিশালী ঘরোয়া কাঠামো, তৃণমূল পর্যায়ে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

১. South Asian Football Federation. “SAFF Official Website and Member Associations.” SAFF

২. South Asian Football Federation. “Competition.” পুরুষ ও নারীদের বর্তমান প্রতিযোগিতার তালিকা। Competition

৩. South Asian Football Federation. “SAFF Women’s Championship 2024 Final.” বাংলাদেশ ২–১ নেপাল, ৩০ অক্টোবর ২০২৪। Match Result

৪. South Asian Football Federation. “Bangladesh Clinch SAFF U-20 Championship 2026 Title After Penalty Shootout Thriller.” ৫ এপ্রিল ২০২৬। Official Report

৫. South Asian Football Federation. “SAFF Match Results.” নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর ফাইনালসহ প্রতিযোগিতার ফলাফল। Match Results

৬. South Asian Football Federation. “Kazi Md. Salahuddin Re-elected President of SAFF.” ১ আগস্ট ২০২৬। Official Press Release

৭. South Asian Football Federation. “SAFF Awards Exclusive Rights for SAFF Championship 2026 to TSA Sports and Entertainment.” ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। Official Announcement

৮. FIFA. “South Asian nations break records in FIFA Women’s World Cup qualification.” ৩ আগস্ট ২০২৫। FIFA

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

পছন্দ পছন্দ 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
মজার মজার 0
রাগান্বিত রাগান্বিত 0
দুঃখজনক দুঃখজনক 0
চমৎকার চমৎকার 0
আব্দুস সবুর (লোটাস) আমি আব্দুস সবুর, লেখালেখিতে লোটাস নামে পরিচিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। অর্থনীতি, শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, ক্রীড়া ও সম্পাদকীয় বিষয়ে লেখালেখির অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। অভিযাত্রীর সহ-সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আমি লেখা পর্যালোচনা, সম্পাদকীয় সমন্বয় এবং প্রকাশনার মাননিয়ন্ত্রণে যুক্ত আছি।